‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত!’ ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে ‘উচ্ছ্বসিত’ শিল্পপতিরা

‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত!’ ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে ‘উচ্ছ্বসিত’ শিল্পপতিরা

পরাধীনতার গ্লানি মুছে ব্রিটেনে ‘মোদী ম্যাজিক’ দেখিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বহু প্রতীক্ষিত ‘ঐতিহাসিক ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। আর দুই দেশের মধ্যে এই বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষরকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন ভারতী এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তল।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং ব্রিটেনের বাণিজ্যমন্ত্রী জোনাথন রেনল্ডস, দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। শিল্পপতিরা ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরকে একটি রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করছেন। এনডিটিভি-কে এক সাক্ষাৎকারে সুনীল মিত্তল বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে কেবল ভারতের কৃষকদেরই নয় বরং তার কারিগর, এমএসএমই এমনকী চিকিৎসক ও আইনজীবীদেরও উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, ‘ভারত কী দিয়েছে? বিশাল বাজার। বহু প্রতিভা। তারপর কম খরচে উৎপাদনের সহজলভ্যতা রয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটেনের প্রযুক্তি রয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক, মহাকাশ, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রয়েছে উচ্চমানের প্রযুক্তি।’সুনীল মিত্তল বলেন, এখানেই ভারত ব্রিটিশ সংস্থাগুলির সঙ্গে বা ভারতের বিনিয়োগকারীরা ব্রিটিশ সংস্থাগুলির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে উপকৃত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক ছোট ছোট জিনিস আছে যা ব্রিটেনে তৈরি হয় না। চিন বা অন্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়। এখন এটি ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় চলে আসবে।’ তাঁর কথায়, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি ভারতীয় পেশাদারদের যেমন চিকিৎসক বা আইনজীবীদের পক্ষেও ভালো কাজ করবে। এর আগে তাদের ব্রিটেনে প্রাকটিস করতে হলে অতিরিক্ত ডিগ্রি অর্জন করতে হত অথবা পরীক্ষায় বসতে হত।ঠিক একইভাবে, যারা ব্রিটেন থেকে ভারতে আসবেন, তাঁরাও উপকৃত হবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমতার স্বীকৃতি দেওয়া বা সমতা তৈরি হবে। অন্যদিকে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত করল।’

(Feed Source: hindustantimes.com)