
দাবা বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়লেন দিব্যা দেশমুখ। ১৯ বছরের তরুণী সোমবার টাইব্রেকারে হারিয়েছেন হাম্পিকে। দ্বিতীয় র্যাপিড গেম জিতে ভারতের মহিলা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলেন দিব্যা। একই সঙ্গে পরপর তিন সপ্তাহে তিনটি খেতাব জিতে নিলেন দিব্যা। প্রথমে ক্যান্ডিডেটস টুর্নামেন্টের যোগ্যতা অর্জন, তারপর বিশ্বকাপ শিরোপা জয় এবং সবশেষে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করলেন তরুণী। তবে জয়ের পর তাঁর বক্তব্য অবাক করেছে অনেক দাবা অনুরাগীকে।
কী বললেন দিব্যা?
বিশ্বজয়ের খেতাব পাওয়ার পর দিব্যা বলেন, ‘আমার এই জয় অনুধাবন করতে এখনও সময় লাগবে। কারণ আমার সামনে এই ইভেন্টে আসার কোনও নর্ম ছিল না। আমি বারবার সেই নর্ম খুঁজছিলাম। সেখানে বিশ্বজয়ী হয়ে আমি এখন গ্র্যান্ডমাস্টার!’
দিব্যার মা জয়ের মুহূর্তে…
এই দিন দিব্যার জয়ের মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মা-ও যিনি পেশায় চিকিৎসক। বিশ্বজয়ের খেতাব পেয়ে দিব্যা আরও বলেন, ‘আমার পক্ষে এখন কথা বলা খুব কঠিন। আশা করি, এটা সবে শুরু। এখনও অনেক কিছু অর্জন করার রয়েছে আমার।’
কী বললেন দিব্যার কোচ?
অন্যদিকে দিব্যার জয়ে এই দিন আপ্লুত তাঁর প্রাক্তন কোচও। ছাত্রীর প্রশংসা করে তিনি তুলনা টানেন মহেন্দ্র সিং ধোনির। বলেন,‘ধোনির মতোই প্রচণ্ড চাপে মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলতে পারার গুণ রয়েছে ওর মধ্যে।’ পাশাপাশি তাঁর কথায়, ‘ও বেশ আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, দিব্যা আরও অলরাউন্ডার, আরও বহুমুখী হয়ে উঠেছে। আমার মনে হয় সে ক্লাসিক্যাল, র্যাপিড এবং ব্লিটজ – সব ফরম্যাটেই সমানভাবে ভালো।’
ভারতের চতুর্থ মহিলা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
প্রসঙ্গত, কেনেরু হাম্পি এর আগে দুবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তাঁকে হারিয়ে এই দিন রীতিমতো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তে দেখা যায় দিব্যাকে। মাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি ম্যাচ জেতার সঙ্গে সঙ্গেই। দিব্যা দেশমুখের এই সাফল্য তাঁকে চতুর্থ ভারতীয় মহিলা হিসেবে গ্র্যান্ডমাস্টারের মর্যাদা অর্জনে সাহায্য করেছে। হাম্পি, দ্রোণাভল্লি হরিকা এবং আর বৈশালীর পরই এবার তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
(Feed Source: hindustantimes.com)
