Mumbai Tutor Torture: কী বিচ্ছিরি হাতের লেখা! সবক শেখাতে খুদে পড়ুয়ার মুঠোর নীচে জ্বলন্ত মোমবাতি… টিউটরের টর্চার…

Mumbai Tutor Torture: কী বিচ্ছিরি হাতের লেখা! সবক শেখাতে খুদে পড়ুয়ার মুঠোর নীচে জ্বলন্ত মোমবাতি… টিউটরের টর্চার…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো:  মুম্বাইয়ের মালাড এলাকায় এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ। খারাপ হাতের লেখার জন্য আট বছর বয়সী এক ছাত্রের হাত মোমবাতি দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, এই ঘটনাটি ২৮শে জুলাই সন্ধ্যায় জেপি ডেকস বিল্ডিং, মালাড ইস্টে গৃহশিক্ষকের বাসভবনে ঘটেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রাজশ্রী রাঠৌর।

প্রতি দিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সেখানে পড়তে যায় তৃতীয় শ্রেণির ওই পড়ুয়া। গত ২৮ জুলাইয়েও পড়তে গিয়েছিল সে। তার বোনও পড়তে যায় একসঙ্গে। কিন্তু সে দিন যায়নি।

মোহাম্মদ হামজা খান নামে তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্র লক্ষাধাম স্কুলের শিক্ষার্থী। সে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মিসেস রাঠোরের বাড়িতে নিয়মিত টিউশন নিত। ছেলেটির বাবা মুস্তাকিন খান (৫০) জানান, রাত ৯টার দিকে মিসেস রাঠোর মিস্টার খানকে ফোন করে জানান যে হামজা অঝোরে কাঁদছে এবং তাকে অবিলম্বে বাড়ি নিয়ে যেতে হবে।

তার পর ছেলেকে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হন। বাড়ি ফেরার পথে শিশুটি তার বাবাকে জানায়, মোমবাতি জ্বালিয়ে শিক্ষক তার হাত পুড়িয়ে দিয়েছেন। কেন পুড়িয়ে দিয়েছেন, এই প্রশ্ন করায় শিশুটি তার বাবাকে জানায়, হাতের লেখা বাজে হওয়ার জন্য শাস্তি দিয়েছেন শিক্ষক। ডান হাতের তালু জ্বলন্ত মোমবাতির উপর ধরেন তিনি। তাতে তার হাত পুড়ে যায়।

হামজাকে প্রথমে একজন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে আরও চিকিৎসার জন্য বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতাল (শতাব্দী) তে স্থানান্তরিত করা হয়। মিস্টার খানের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস মিসেস রাঠোরের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। পুলিস জানিয়েছে, এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

(Feed Source: zeenews.com)