Looteri Wife: পুলিশ জানতে পেরেছে যে অভিযুক্ত সামিরা পেশায় একজন শিক্ষিকা। পুলিশের ধারণা যে তিনি গত ১৫ বছরে বেশ কয়েকজন পুরুষকে প্রতারণা করেছেন৷
তাঁকে গ্রেফতারের সময় তিনি তাঁর পরবর্তী টার্গেট খুঁজছিলেন
নাগপুর : এক, দু’জন নয়! মোট ৮ জনকে একের পর এক বিয়ের টোপ দিয়ে প্রতারণা করলেন তরুণী৷ তাঁদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পগারপার হন তরুণী৷ কিন্তু তাঁর খেল শেষ হল নবম বারে৷ নবম পুরুষকে ঠকাতে গিয়ে নিজেই ফাঁদে পড়লেন ছলনাময়ী৷ তাঁর প্রতারণার তদন্তে নেমে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের৷ লুটেরি কনের কীর্তিতে চাঞ্চল্য মহারাষ্ট্রের নাগপুরে৷
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত তরুণীর নাম সামিরা ফতিমা৷ অভিযোগ, তাঁকে গ্রেফতারের সময় তিনি তাঁর পরবর্তী টার্গেট খুঁজছিলেন৷ সম্ভাব্য নবম শিকারের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি ধরা পড়েন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে অভিযুক্ত নববধূ তাঁর ‘স্বামীদের’ ব্ল্যাকমেইল করছিলেন এবং তাঁদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিলেন। পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে যে সামিরা ফতিমা তাঁর বিভিন্ন স্বামীদের কাছ থেকে টাকা তোলার জন্য একটি চক্রের সঙ্গে কাজ করছিলেন। পুলিশ জানতে পেরেছে যে অভিযুক্ত সামিরা পেশায় একজন শিক্ষিকা। পুলিশের ধারণা যে তিনি গত ১৫ বছরে বেশ কয়েকজন পুরুষকে প্রতারণা করেছেন৷
এর আগের একটি মামলায় প্রায় ধরা পড়ে গিয়েছিলেন সামিরা৷ কিন্তু সে যাত্রা নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা বলে মিথ্যা দাবি করে গ্রেফতারি এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন৷ অবশেষে গত ২৯ জুলাই নাগপুরের একটি চায়ের দোকান থেকে গ্রেফতার করা হয় এই ঠগিনীকে৷
(Feed Source: news18.com)