মুসৌরি ঘুরতে যাবেন? আগেভাগে করতে হবে এই কাজ! নইলে আটকাবে প্রশাসন

মুসৌরি ঘুরতে যাবেন? আগেভাগে করতে হবে এই কাজ! নইলে আটকাবে প্রশাসন

মুসৌরি যাচ্ছেন? সেখানকার প্রশাসনকে না জানিয়ে চলে গেলে ঠাঁই নাও পেতে পারেন। সম্প্রতি ভিড় সামাল দিতে অভিনব নিয়ম করেছে সেখানকার জেলা প্রশাসন। মুসৌরি ভ্রমণকারী পর্যটকদের এখন উত্তরাখণ্ড পর্যটন বিভাগের একটি পোর্টালে তাদের বিবরণ নথিভুক্ত করতে হবে। অন্যদিকে তাঁরা কে কখন চেক-ইন করছেন, সেই সময় হোটেল, গেস্ট হাউস এবং হোমস্টেগুলিকে নথিভুক্ত করতে হবে।

কেন এই পদক্ষেপ?

২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্যটকদের আগমন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর ফলে বেড়েছে ব্যাপক যানজট। অতিরিক্ত ভিড় মোকাবিলা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপটি বুধবার থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

কী কী করতে হবে?

জেলা পর্যটন কর্মকর্তা ব্রিজেন্দ্র পান্ডে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘অতিথিদের নথিভুক্তির মাধ্যমে শহরে পর্যটকদের আগমনের তথ্য পাওয়া যাবে। প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রথমে পোর্টালে তাদের নিজেদের তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে। মালিকের নাম, ফোন নম্বর, থাকার ধরণ (হোটেল, হোমস্টে, বা অন্যান্য), সম্পত্তির নাম, ঘরের সংখ্যা এবং মোট ধারণক্ষমতার মতো তথ্য দিতে হবে। পরবর্তীতে, তারা অতিথিদের তথ্য নথিভুক্ত করবে।’

কী বলছেন হোটেল মালিকরা?

মুসৌরি হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জয় আগরওয়াল বলেন, ‘পর্যটন বিভাগের নির্দেশ অনুসারে, আমরা আমাদের সহ-হোটেল মালিকদের নতুন নিয়ম মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছি।’ তবে কিছু হোটেল মালিক এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে বলেছেন এতে অনর্থক জটিলতা বেড়ে যেতে পারে। ‘ব্যস্ত মরসুমে এসব কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠবে।’

কী বলছে জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনাল?

৮ মে জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি)-এর এক নির্দেশের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারকে দুই মাসের মধ্যে পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকদের তথ্য নথিভুক্ত শুরু করতে বলা হয়েছে। সেই তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রিন ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, ‘পর্যটকদের নিবন্ধন এলাকার ধারণক্ষমতা, বিশেষ করে পার্কিং স্পেস, অতিথি কক্ষ ইত্যাদি সামর্থ্য অনুযায়ী করা উচিত।’ গোটা প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত করার দায়িত্ব পর্যটন বিভাগ এবং মুসৌরি পৌর পরিষদ (এমএমসি)-এর।

(Feed Source: hindustantimes.com)