জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পাকিস্তানের (Pakistan) বর্ষা (The monsoon rainfall) এবারে ক্রমশ ভয়াল রূপ ধারণ করেছে। ২৬ জুন নাগাদ এখানে বর্ষা শুরু হয়েছিল। তারপর থেকেই শুধু ধ্বংস (wreaked havoc) ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু চলেছে। ভয়ংকর পরিস্থিতি পাকিস্তান জুড়ে।
দেশ জুড়ে ভারী বৃষ্টিসতর্কতা
পাকিস্তানের আবহাওয়া দফতর আজ, রবিবার দেশ জুড়ে আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। দেশীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৭। ২৬ জুন থেকে শুরু হওয়া এই মৌসুমি বৃষ্টিপাতে পাকিস্তানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত প্রায় ৬৫০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আবহাওয়া বিভাগ ১৭ অগাস্ট থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী ভারী বৃষ্টিসতর্কতা জারি করেছে। এছাড়াও, তারা উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।
৩২৭, ২০০, ১৩৭
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) সতর্ক করেছে, এই বছর স্বাভাবিকের চেয়ে আগে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত আগামী দুই সপ্তাহে আরও তীব্রতা নিয়ে চলতে পারে। NDMA-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েকদিনের প্রবল মৌসুমি বৃষ্টি এবং মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় খাইবার পাখতুনখোয়ায় অন্তত ৩২৭ জন মারা গিয়েছেন।
এর মধ্যে শুধুমাত্র বুনার জেলাতেই ২০০-র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও। বন্যায় বাড়িঘর ভেঙে পড়া এবং জলের তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে মানুষ, গবাদি পশু ও যানবাহন মিলিয়ে অন্তত ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়ে আছেন। অনেকে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সংখ্যাটা অন্তত ২০০।
উদ্ধার অভিযান
প্রায় ২০০০ উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করে উদ্ধার অভিযান চলছে। সেতু এবং সংযোগ সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ত্রাণের কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। খাইবার পাখতুনখোয়ার উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র বলেছেন, ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস এবং রাস্তা ভেসে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে, বিশেষ করে ভারী যন্ত্রপাতি এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিবহণের ক্ষেত্রে খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে!
(Feed Source: zeenews.com)
