Orca-Jessica- দেখা যাচ্ছে, সমুদ্রের হিংস্র এক তিমি-র সঙ্গে জলে নেমে খেলছেন এক মহিলা। কখনও ডুব দিচ্ছেন, কখনও আবার ভেসে উঠছেন। পর মুহূর্তেই হাততালি, চিৎকারে ফেটে পড়ছেন দর্শকরা।
কলকাতা : এআই। এই দুটো শব্দ নিয়ে এখন যেমন ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি, তেমনই দেখা দিচ্ছে আতঙ্ক। অনেকে বলছেন, বহু চাকরির ক্ষেত্রে এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রভাব ফেলবে। অনেকে চাকরি হারাবেন। এআই-এর এই সময় দাঁড়িয়ে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে, তা ঠিক করা খুব মুশকিল। আর এই পরিস্থিতির ফায়দা তুলছে অনেকে।
ভিউ-এর লোভ আর ভাইরাল হওয়ার নেশা, এই দুইয়ে মিলে বিপদ ঘনাচ্ছে আরও বেশি। এআই টুল দিয়ে ভিডিও বানিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কারও ছবি বা ভিডিওর আসল বিষয়বস্তু বদলে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নকল থিম। এই যেমন গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সমুদ্রের হিংস্র এক তিমি-র সঙ্গে জলে নেমে খেলছেন এক মহিলা। কখনও ডুব দিচ্ছেন, কখনও আবার ভেসে উঠছেন। পর মুহূর্তেই হাততালি, চিৎকারে ফেটে পড়ছেন দর্শকরা।
সেই মহিলা, যাঁর নাম জেসিকা। দর্শকদের উচ্ছ্বাসে তিনিও হাসছেন। এর পর এক মুহূর্তে বদলে গেল সব। সেই মহিলা জেসিকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হিংস্র তিমি, যার নাম ওরকা। মুহুর্তে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দেয় জেসিকার শরীর!
জানা গিয়েছে, ‘প্যাসিফিক ব্লু মেরিন পার্ক’ নামে কোনও পার্কের অস্তিত্বই নেই। এমনকী জেসিকা ব়্যাডক্লিফ নামের কোনও প্রশিক্ষক সেখানে খেলাও দেখান না। আর ওরকা! তারও কোনও অস্তিত্ব নেই। ফরেনসিক বিশ্লেষণ বলছে, জেসিকা নামে তরুণীর গলার স্বরও নকল করা হয়েছে।
‘ফোবর্স’ জানিয়েছে, সেই ভিডিও ‘ফেক’। যদিও হিংস্র তিমির আক্রমণের এমন ঘটনা আগে ঘটেছিল। ২০০৯ সালে ওরকার আক্রমণে অ্যালেক্সিস মার্টিনেজ নামে একজন প্রাণ হারান। ২০১০ সালেও দু’জন ট্রেনারের মৃত্যু হয়েছিল। এখন যে নকল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা আসলে ওই ঘটনাগুলোর উপর ভিত্তি করে বানানো।
(Feed Source: news18.com)