Alien Approaching Earth: ভয়ংকর গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে এলিয়েনদের স্পেসক্র্যাফ্ট! আতঙ্কে কাঁপছে সারা পৃথিবী…তবে কি অন্তিম সময়…

Alien Approaching Earth: ভয়ংকর গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে এলিয়েনদের স্পেসক্র্যাফ্ট! আতঙ্কে কাঁপছে সারা পৃথিবী…তবে কি অন্তিম সময়…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হার্ভার্ডের বিজ্ঞানীরা (Harvard scientists) বিশ্বাস করেন যে, একটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান পৃথিবীর দিকে আসছে। একটি রহস্যময় মহাকাশীয় বস্তু খুব দ্রুত গতিতে পৃথিবীর দিকে আসছে (alien spacecraft approaching Earth)। এ নিয়ে হার্ভার্ডের বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে, ভিনগ্রহের প্রাণীরা অবশেষে পৃথিবীতে আসছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই সত্তাটিকে 31/অ্যাটলাস (31/Atlas) নামে অভিহিত করেছেন। এটি একটি ভিনগ্রহের যান হতে পারে, যা পৃথিবীতে অনুসন্ধানী যান পাঠাতে প্রস্তুত।

১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রায় ১২ মাইলেরও বেশি চওড়া এই বস্তুটি সৌরজগতের মধ্য দিয়ে এমন এক পথ ধরে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছে, যাতে এটি ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখেই পৃথিবীর অনেকটা কাছে চলে আসবে। পৃথিবী থেকে প্রায় ১৭ মিলিয়ন মাইল দূরে থাকবে এটি। আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী আভি লোয়েবের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাঁরা অনুমান করছেন, এটি একটি ভিনগ্রহের প্রযুক্তি হতে পারে।

আকর্ষণীয় এবং অবিশ্বাস্যভাবে বিরল

অবসপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইউএফও তদন্তকারী বলেন, “এর অস্বাভাবিক আকার, অস্বাভাবিক ত্বরণ, অস্বাভাবিক পথ এবং অস্বাভাবিক আচরণ– এই সব বিষয় একত্রিত হয়ে এটি একটি ম্যাপ বা সার্ভে মিশনের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটি একটি ধূমকেতু বা গ্রহাণুও হতে পারে। তবে এটি একটি আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু হলেও এটি খুবই আকর্ষণীয় এবং অবিশ্বাস্যভাবে বিরল।”

২ লক্ষ ৯ হাজার ২১৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা 

হার্ভার্ড বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রস্তাবিত কয়েকটি মূল তত্ত্বও এ ক্ষেত্রে তুলে ধরা যেতে পারে। যেমন:

এটি যে কোনও সাধারণ গ্রহাণুর চেয়ে বড়, তাই এটি গ্রহাণু হতে পারে না

এর ত্বরণের হার একটি প্রাকৃতিক বস্তুর জন্য অস্বাভাবিক

এটি ১৩০,০০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বা ২ লক্ষ ৯ হাজার ২১৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে ভ্রমণ করছে, যা সৌরজগতের নিরিখেও অতি দ্রুত

এটি ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে আসছে, যেখানে অনেক বাধা রয়েছে। যদি কেউ গোপনে আমাদের সৌরজগতে একটি অনুসন্ধানী যান পাঠাতে চায়, তাহলে এটিই হবে ঠিক পথ

এটি শুক্র, মঙ্গল এবং বৃহস্পতির কাছাকাছি দিয়ে যাচ্ছে, যা এর গতিপথকে একটি মানচিত্র তৈরির মিশনের মতো মনে করাচ্ছে

বিজ্ঞানীরা ভয় পাচ্ছেন যে এটি একটি ভিনগ্রহের মহাকাশযান হতে পারে, যা প্রযুক্তিগত কৌশল সম্পাদন করতে বা কিছু অনুসন্ধানী যান স্থাপন করতে এসেছে, যা পৃথিবীতে আসবে। তবে, যখন এটি সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে, তখন সূর্য পৃথিবী এবং অ্যাটলাসের মাঝখানে থাকবে, তাই মানুষ এটিকে দেখতে পাবে না।

(Feed Source: zeenews.com)