
Success Story: এই বিষয়ে জেনে রাখা প্রয়োজন যে, সে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র এবং বিহারের প্রথম বাসিন্দা হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করেছে।
লেখক হওয়ার যাত্রাপথ বড় কঠিন! প্রতিভা থাকলেই যে সব সময়ে জনপ্রিয় হওয়া যায়, তা নয়! আবার আচমকা লেখক রূপে আত্মপ্রকাশ করে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন, সাহিত্যসভায় এ হেন উদাহরণও বড় কম নেই, এক্ষেত্রে প্রতিভা সহজাত! সেই জন্যই হয়তো বলা হয় যে, একজন প্রতিশ্রুতিময় ব্যক্তির জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ সাধারণত মসৃণ হয়।
এর একটি উদাহরণ আমাদের সামনে দৃশ্যমান, বয়স ছোট কিন্তু গুণ আর স্বপ্ন তার অনেক বড়। মধুবনী জেলার ঝাঁঝড়পুরের বাসিন্দা ৯ বছর বয়সী আদর্শ ভরদ্বাজ দুটি দেশ, অর্থাৎ ভারত এবং নেপাল থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছে। এই বিষয়ে জেনে রাখা প্রয়োজন যে, সে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র এবং বিহারের প্রথম বাসিন্দা হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করেছে।
ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছে। মধুবনী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনন্দ শর্মা ফরিদাবাদের ম্যাজিক অ্যান্ড আর্ট ইউনিভার্সিটি কর্তৃক আদর্শ ভরদ্বাজকে ডক্টরেট ডিগ্রিতে ভূষিত করেছেন। আদর্শ ভরদ্বাজ একজন শিশু লেখক এবং প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। তার বয়স মাত্র ৯ বছর কিন্তু তার স্বপ্ন অনেক বড়! ইতিমধ্যেই সাহিত্যজগতে অবদানের জন্য সে অনেককে মুগ্ধ করেছে। আন্তর্জাতিক শিশু আইকন পুরস্কার প্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ ঔপন্যাসিক আদর্শ ভরদ্বাজকে আনন্দ শর্মা নিজের হাতে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছেন। আদর্শ ভারত এবং নেপাল দুটি দেশ থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছে। ফরিদাবাদের ম্যাজিক অ্যান্ড আর্ট ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রদত্ত এই উপাধি আদর্শ ভরদ্বাজের কাজকে আরও স্বীকৃতি দিয়েছে।
