কোটি কোটি টাকার কর আদায় বাকি ‘এই’ পৌরসভায়, পুজোর পর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি, বিরোধীদের চাঁচাছোলা কটাক্ষের মুখে তৃণমূল

কোটি কোটি টাকার কর আদায় বাকি ‘এই’ পৌরসভায়, পুজোর পর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি, বিরোধীদের চাঁচাছোলা কটাক্ষের মুখে তৃণমূল

তাম্রলিপ্ত পৌরসভার সংগৃহীত কর বকেয়া প্রায় দু’কোটি টাকা। আর তাতে শোরগোল পড়েছে শহর জুড়ে।

তাম্রলিপ্ত পৌরসভা

তমলুক সৈকত শী: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তাম্রলিপ্ত পৌরসভার সংগৃহীত কর বকেয়া প্রায় দু’কোটি টাকা। আর তাতে শোরগোল পড়েছে তমলুক শহর জুড়ে। এত পরিমাণ করের টাকা বাকি থাকায় শহরের উন্নয়ন প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। পৌরসভার বকেয়া কর আদায় প্রায় দু কোটি টাকার বেশি হওয়ায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। পৌরসভার শাসক দলের কাউন্সিলর ও দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে বাকবিতণ্ডা।

বকেয়া প্রায় দু’কোটি টাকা। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেসরকারি বিভিন্ন নার্সিংহোমের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া। দীর্ঘদিন ধরে তমলুক পৌরসভার রাজস্ব বাকি প্রায় দু’কোটি টাকা। বিষয়টি প্রথম নজরে আনেন তমলুক পৌরসভার শাসকদলের কাউন্সিলর পার্থ সারথি মাইতি। তমলুকের বিভিন্ন নার্সিংহোম থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং এর পাশাপাশি বিভিন্ন অফিস সরকারি দফতর ও বিভিন্ন ব্যাঙ্কের হোল্ডিং ট্যাক্স বাকি। যার পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে দু’কোটি টাকায়। ফলে সমস্যায় পড়েছে পৌরসভা।

পৌরসভার বকেয়া ট্যাক্স নিয়ে চেয়ারম্যান দীপেন্দ্র নারায়ণ রায় জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে হোল্ডিং ট্যাক্স বাকি রেখেছে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা। পাশাপাশি সরকারি অফিস রয়েছে এরকম বাড়ির মালিকেরও হোল্ডিং ট্যাক্স বাকি রয়েছে। বারবার নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উত্তর পাওয়া যায়নি। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এখন এই বকেয়া কবে পরিশোধ হয় সেটাই দেখার বিষয়। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। তাদের দাবি, যেহেতু তমলুকের একাধিক বেসরকারি নার্সিংহোমের মালিক শাসকদলেরই নেতা, কর্মীরা তাই তাঁরা ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছেন।

শাসকদলের কাউন্সিলর পার্থসারথি মাইতি এই ট্যাক্স বকেয়া নিয়ে সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন তোলায় দলের নেতা-কর্মীর হুমকির মুখে পড়েছেন। ফলে সত্য বলে পাপ করেছেন মেনে নিয়ে কান ধরে তিনি ক্ষমাও চান। যদি বকেয়া পরিশোধ না করা হয় তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুজোর পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(Feed Source: news18.com)