Calcutta High Court: ‘শেষ জীবনটা একটু খেয়েপরে বাঁচতে চাই’, আদালতে হাতজোড় শতায়ু স্বাধীনতা সংগ্রামীর! রাজ্যের মন্তব্যে প্রবল ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

Calcutta High Court: ‘শেষ জীবনটা একটু খেয়েপরে বাঁচতে চাই’, আদালতে হাতজোড় শতায়ু স্বাধীনতা সংগ্রামীর! রাজ্যের মন্তব্যে প্রবল ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

Calcutta High Court: আদালতের দ্বারস্থ বাংলার প্রবীণ স্বাধীনতা সংগ্রামী। আদালতে দাঁড়িয়ে তাঁর আবেদন, ‘১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনে জেল খেটেছি, কিছু পেনশন পেলে শেষ জীবনে বাঁচি।’ শতায়ুর মামলায় আবেগঘন এজলাস।

মামলাকারী সংগ্রামীCalcutta High Court: ‘শেষ জীবনটা একটু খেয়েপরে বাঁচতে চাই’, আদালতে হাতজোড় শতায়ু স্বাধীনতা সংগ্রামীর! রাজ্যের মন্তব্যে প্রবল ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট
মামলাকারী সংগ্রামী

হলদিয়া: আদালতের দ্বারস্থ বাংলার প্রবীণ স্বাধীনতা সংগ্রামী। আদালতে দাঁড়িয়ে তাঁর আবেদন, ‘১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনে জেল খেটেছি, কিছু পেনশন পেলে শেষ জীবনে বাঁচি।’ শতায়ুর মামলায় আবেগঘন এজলাস।

১৯৪২–১৯৪৩ সালের তমলুক জেলের নথি তলব হাইকোর্টের। রাজ্যের কারা দফতরের রিপোর্ট তলব বিচারপতি অমৃতা সিনহা’র। ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তথ্য তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভারতছাড়ো ব্রিটিশ সরকার। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে তৎকালীন তমলুক জেলে ৬ মাস, ডিসেম্বর ১৯৪২ থেকে জুন ১৯৪৩ অবধি জেল খাটতেও হয়। ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে তাঁর বয়স ১০৩ বছর। স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করার আট দশক পর বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ পূর্ব মেদিনীপুরের ভবানীপুরের বাসিন্দা ভীমচরণ রাণা। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্যে পেনশন পাওয়ার আবেদন করেছেন ভীমচরণ।

.

বুধবার ভীমচরণের আইনজীবী অর্ধেন্দু নাগ জানান, ১৯৮১ সালে স্বতন্ত্র সৈনিক পেনশন প্রকল্পে আবেদন করলেও পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে ভীমচরণের‌ নাম বিবেচনা করেনি কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে আবারও আবেদন করা হলে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাঁর দাবি, বর্তমানে আর্থিক অনটনে রয়েছেন শতবর্ষ পার করা বৃদ্ধ। কেউ দেখার নেই তাঁকে, তাই এক্ষেত্রে স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনশন প্রকল্পের আওতায় এলে জীবনের শেষ বয়সে এসে কিছুটা স্বস্তি পাবেন ভীমচরণ।

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “একজন দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন আর কর্তৃপক্ষ যোগ্য হওয়ার প্রমাণ চাইছে।” রাজ্যের কারা দফতর থেকে বৃদ্ধা যেই সময় জেলবন্দি থাকার দাবি করছেন সেই সময়কার তথ্য তলব করে হাইকোর্ট। বিচারপতি সিনহা বলেন, “মাথায় রাখবেন বৃদ্ধার বয়স ১০৩, প্রত্যেকটি দিন তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

সুজিত ভৌমিক

(Feed Source: news18.com)