India US Tariff Row: এই ৫ কারণে ট্রাম্পের শুল্কগুঁতো সামলে নিতে পারবে ভারত, দেখে নিন…

India US Tariff Row: এই ৫ কারণে ট্রাম্পের শুল্কগুঁতো সামলে নিতে পারবে ভারত, দেখে নিন…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নজিরবিহীনভাবে ভারতীয় পণ্যের উপরে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে আমেরিকা। ভারত কেন রাশিয়া থেকে তেল কিনবে তা নিয়েই প্রবল গুস্সা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে তার দেশের বিরোধীরা বলছেন, এই শুল্কের গুঁতোয় লোকসান বেশি আমেরিকারই। কিন্তু উনি হলেন ট্রাম্প। নিজের সিদ্ধান্ত অটল। আমেরিকার সিদ্ধান্তে ভারতের ক্ষতি হতে পারে ৯০ বিলিয়ন ডলার।  এখন এই পরিস্থিতি থেকে ভারত বেরিয়ে আসবে কী করে, এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের হাতে ৫টি উপায় রয়েছে।

Add Zee News as a Preferred Source

গুজরাটের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আত্মনির্ভরতার কথা বলেন। পাশাপাশি একটি আত্মনির্ভর ভারতের উপরে তিনি জোর দেন। দুনিয়ার যারাই নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়েছে তারা আত্মনির্ভরতার উপরে ভর করেই এগিয়ে এসেছেন।

হংসলপুরের এক সমাবেশে তিনি স্বদেশী জিনিজের একটি সংজ্ঞা দেন। সেখানে তিনি বলেন, জাপানের কোনও কোম্পানি যদি ভারতে উত্তপাদন করে তাহলে তাও স্বদেশি। কারণ ওই বিদেশি পণ্য ভারতের মানুষের রক্ত-ঘামে তৈরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুল্ক সমস্য মেটাতে একটি স্থায়ী সমাধান চাই। এই চাপ ভারত নিতে পারে আশাপ্রকাশ করেছেন  প্রধানমন্ত্রী। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মোট ৫ ফ্যাক্টরের উপরে নির্ভর করে ভারত আমেরিকার ধাক্কা সামলাতে পারে।

ভারতের গ্রোথ রেট

আন্তর্জাতিক মহল ভারতের গ্রোথ রেটের উপরে ভরসা রাখে। গ্লোবাল রেটিং এসেন্সি ফ্লিচের বক্তব্য়, আমেরিকায় শুল্ক বোমা ভারতের অর্থনীতির উপরে বেশি প্রভাব ফেলবে না কারণ ভারতের জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ হল আমেরিকায় ভারতের রফতানি। ২০২৫-২৬ সালের ভারতের জিডিপির গ্রোথ রেট ৬.৫ শতাংশ হতে পারে, এমনটাই বলছে বিভিন্ন সংস্থা।

বিরাট দেশীয় বাজার

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের consumption ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৬ শতাংশ হতে পারে। ম্যাককিনসে-র একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের তরুণ জনসংখ্যাকেই এর কারণ হিসেবে ধরা হয়েছে।

বিশাল জিএসটি সংগ্রহ

কর আদায় বাড়ছে। মে মাসে জিএসটি রাজস্ব গত বছরের তুলনায় ১৬.৪ শতাংশ বেড়ে ২.০১ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। এপ্রিলে এর সংগ্ৰহ ছিল সর্বকালের সর্বোচ্চ, ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

এই বছর মুদ্রাস্ফীতি ৩.৮ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ৪ শতাংশে থাকবে বলে অনুমান করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) । এই মাত্রা রিজার্ভ ব্যাংকের লক্ষ্যের মধ্যেই রয়েছে। জুলাই মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি কমে ১.৫৫ শতাংশ হয়েছে, যা গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ইনফ্রাস্ট্রাকচার বাড়ানো

সরকার তার বাজেটে পরিকাঠামো খাতে ব্যয়কে একটি প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যগুলির জন্য ১.৫ লক্ষ কোটি টাকার বড় অঙ্কের বরাদ্দ এবং সুদ-মুক্ত ঋণের ঘোষণা করেছিলেন, যাতে উন্নয়ন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্তম্ভগুলি (রেটিং স্থিতিশীলতা, ভোগের ক্ষমতা, করের দৃঢ়তা, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ) এমন একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করে যা ভারতকে শুল্কজনিত ধাক্কা শোষণ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

(Feed Source: zeenews.com)