Nepal Gen Z protest: বিক্ষোভ ‘দমনে’ নেপালি যুবতীদের ধর্ষণ করছে পুলিস! মারছে… হাড়হিম অত্যাচারের বর্ণনা….

Nepal Gen Z protest: বিক্ষোভ ‘দমনে’ নেপালি যুবতীদের ধর্ষণ করছে পুলিস! মারছে… হাড়হিম অত্যাচারের বর্ণনা….

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নেপালে নারী ও শিশুরা সরকারি সেনাদের (Nepal Unrest) হাতে “ভয়াবহ নির্যাতনের” শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এক নেপালি ছাত্র। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির (KP Sharma Oli) সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ছাত্রনেত্রী রূথ খড়কা একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, “নেপালে যা ঘটছে, তা এক মর্মান্তিক ঘটনা—যা পৃথিবী উপেক্ষা করতে পারে না। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের—যাদের অধিকাংশই স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছাত্রছাত্রী—হত্যা করা হয়েছে। নারী ও মেয়েরা সরকারের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খোলার কারণে তাদের নিজেদের বাড়িতেই ধর্ষণ করা হচ্ছে।”

তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে শিশু ও মহিলাদের টার্গেট করছে। খড়কা বলেন, “৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১৫০ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছাত্রছাত্রী। এটি প্রতিরক্ষা নয়, এটি খুন। আর এটি শুধু একটি জাতীয় সঙ্কট নয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনও।” জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি যুক্তি দেন যে, নেপাল শিশুদের সহিংসতা থেকে রক্ষা করা এবং তাদের জীবন রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করেছে, তা ভঙ্গ করছে।

প্রথমে ফেসবুক, ইউটিউব ও এক্স-সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থেকেই প্রতিবাদের সূচনা হয়েছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তা পরিণত হয় দুর্নীতি ও রাজনৈতিক অভিজাতদের বিশেষ সুবিধাভোগের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরও রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের ঢল নেমেছিল। এরই মধ্যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলি’র ব্যক্তিগত বাড়ি এবং আরও কয়েকজন নেতার বাসভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পুলিসের সঙ্গে সংঘর্ষে বহু মানুষ নিহত হন, আরও অনেকে গুরুতর জখম হন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “যে গুলিগুলো রাবার বুলেট হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো আসলে রাবার ছিল না। পুলিসের দায়িত্ব নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া, তাদের হত্যা করা নয়। এটি ছিল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, নাগরিকদের ওপর গুলি চালানোর কোনও প্রয়োজন ছিল না। কথা বলুন, এই বার্তা ছড়িয়ে দিন এবং দায়বদ্ধতার দাবি তুলুন। নীরবতা শোষকদের রক্ষা করে, সচেতনতা জীবন বাঁচায়।”

অনেক তরুণ নেপালির ক্ষোভ বহুদিন ধরেই জমা হচ্ছিল বেকারত্বের বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সন্তানদের (যাদের “নেপো কিডস” বলা হয়) লাগামছাড়া দুর্নীতির কারণে। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা এখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে হটাতে এসেছি।”

(Feed Source: zeenews.com)