Verbal abuse at work: ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে গালাগালি বসের! চরম হতাশায় আত্মঘাতী তরুণী… ৯০ কোটির ক্ষতিপূরণ নির্দেশ…

Verbal abuse at work: ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে গালাগালি বসের! চরম হতাশায় আত্মঘাতী তরুণী… ৯০ কোটির ক্ষতিপূরণ নির্দেশ…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: কাজের জায়গার পরিবেশ ঠিক কতটা বিষাক্ত হতে পারে, সেই তালিকায় নবতম সংযোজন বোধহয় এই ঘটনা। এর আগেও ‘টক্সিক ওয়ার্ক কালচার’-এর ভূরি ভূরি উদাহরণ সামনে এসেছে। এবার যে ঘটনা সামনে এল, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। ‘কুকুর’ বলে গালাগালি বসের! কর্মক্ষেত্রে দুর্ব্যবহারের জেরে আত্মঘাতী হয়েছেন এক তরুণী। তবে এক্ষেত্রে শুধু নির্যাতন ও তরুণীর আত্মহত্যার মধ্যেই ঘটনাটি সীমাবদ্ধ থাকেনি। কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার জেরে মেয়ের মৃত্যুতে আদালতের দ্বারস্থ হন মৃতার পরিবার। আর তারপরই আদালত ওই তরুণীর পরিবারকে ৯০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনাটি জাপানের। অভিযোগ, একটি প্রসাধনী কোম্পানিতে কর্মরত ২৫ বছর বয়সী তরুণীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার ওই কোম্পানির প্রেসিডেন্ট। কাজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই লাগাতার দুর্ব্যবহার চলতে থাকে। যার জেরে মানসিক অবসাদের শিকার হয়ে পড়েন ওই তরুণী। শেষে ২০২৩-র অক্টোবরে তিনি আত্মঘাতী হন। অবশেষে জাপানের একটি আদালত সেই মামলায়  কোম্পানির প্রেসিডেন্টকে ওই তরুণীর মৃত্যুর জন্য দায়ি করেছে। একইসঙ্গে ওই তরুণীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৫ কোটি ইয়েন (প্রায় ৯০ কোটি টাকা) দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, অভিযুক্তকে কোম্পানির প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণেরও নির্দেশ দিয়েছে।

জানা গিয়েছে, সাতোমি নামে ওই তরুণী ২০২১ সালের এপ্রিলে ডি-ইউপি নামে টোকিওর ওই প্রসাধনী কোম্পানিতে যোগ দেন। এরপর ২০২১-এর ডিসেম্বরেই একটি বৈঠকে সাতোমির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। তাঁকে “কুকুর” বলে সম্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট। গালিগালাজ শুধু বৈঠকেই শেষ হয়নি। পরের দিন অফিসে গেলেও সাতোমিকে বলা হয় যে, “ঘেউ ঘেউ করা কুকুর আদপে দুর্বল, কখনও কাউকে কামড়াতে পারে না।” এহেন দুর্ব্যবহারের জেরেই সাতোমি ডিপ্রেশনে চলে যান।

তারপরই ২০২২-এর অগাস্টে সাতোমি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। যার জেরে তিনি কোমায় চলে যান। এরপর ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই ২০২৩ সাতোমির বাবা-মা কোম্পানি এবং তার সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন আদালতে।

(Feed Source: zeenews.com)