Business
oi-Kousik Sinha
মঙ্গলবার থেকে ৪৭ তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সভাপতিত্বে এই বৈঠক শুরু হয়। রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, একাধিক দ্রব্যে করে’র পরিবর্তন সহ অনেকগুলি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। এমনকি এই বৈঠকে অনলাইন গেম, ক্যাসিনো এবং ঘোড়দৌড়ের উপরেও কর বসানো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা।
এই বৈঠকে কেন্দ্রের প্রতিনিধি ছাড়াও রাজ্যের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত বলে খবর।
যে সব পণ্যে জিএসটি বসবে, তার তালিকা
প্রি-প্যাক মিট, মাছ, দই, পনীর, মধু, শুকনো লেবু, শুকনো মাখন, সবজি এবং ডাল, গুড়, শস্য এবং ডাল, গুড়, লাইতে 5% জিএসটি আকৃষ্ট হবে। এই জিনিসগুলি ছাড়াও, জৈব সার এবং গোয়াল সারও জিএসটি-র আওতায় আনা হবে। এতে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। ব্যাঙ্কগুলির দ্বারা জারি করা চেকের উপর আরোপিত ফিও 18 শতাংশ জিএসটি বসবে বলে জানা যাচ্ছে। মানচিত্র, চার্ট, এটলাসেও 12 শতাংশ জিএসটি বসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে যাই হোক, যে পণ্যগুলি প্যাকেজ করা হয় না বা লেবেলযুক্ত নয় সেগুলি’র উপর GST বসবে না। এমনটাই প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। এমনকি হোটেলেই ঘর ভাড়া’র উপর জিএসটি বাড়বে। যদি হোটেলের রুমের ভাড়া প্রতিদিন 1000 টাকার বেশি হয়, তাহলে তার উপর 12 শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
এছাড়াও, জিএসটি কাউন্সিল পরামর্শ দিয়েছে যে ভোজ্য তেল, কয়লা, এলইডি বাল্ব, প্রিন্টিং কালি, ফিনিশড লেদার, সোলার ওয়াটার হিটারকেও জিএসটি-র আওতায় আনা উচিত। এর সঙ্গেই দুই লক্ষ টাকার বেশি সোনা, সোনার গহনা এবং দামি পাথর এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইলেকট্রনিক বিল বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হেব তা এখনও জানা যায়নি।
খুব শিঘ্রই এই বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ করবেন বলে জানা যাচ্ছে। আজ বুধবার কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক চলছে। বলে রাখা প্রয়োজন, ছত্তিশগড়ের দাবি করেছে, রাজ্যগুলিকে জিএসটির 70-80 শতাংশ পাওয়া উচিত। যা বর্তমানে 50 শতাংশ। আর সেটাই বাড়ানো’র পক্ষে জোরাল সওয়াল অবিজেপি এই রাজ্যের।
এই বিষয়েও এখনও বিস্তারিত ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে শেষমেশ নির্মলা সীতারমণ কি ঘোষণা করেন সেদিকেই নজর থাকবে।
জনপ্রিয়তা বাড়ছে ডিজিট্যাল পেমেন্টসে, দেশে প্রথম ত্রৈমাসিকের ৬০ শতাংশ লেনদেন ইউপিআই-এর মাধ্যমে
