ভারত-চিন সরাসরি বিমান চলবে ৫ বছর পরে! ছাড়বে কলকাতা থেকে, ট্রাম্পের চাপ বাড়ল?

ভারত-চিন সরাসরি বিমান চলবে ৫ বছর পরে! ছাড়বে কলকাতা থেকে, ট্রাম্পের চাপ বাড়ল?

ভারত-চিন সরাসরি বিমান চলবে পাঁচ বছর পরে! আর শুরুতেই কলকাতা থেকে সেই বিমান পরিষেবা চালু করা হবে। যে পরিষেবার হাত ধরে ভারত এবং চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। আর তার জেরে কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিন্তা বাড়বে?

1/5 ভারত ও চিনের মধ্যে পাঁচ বছর পরে সরাসরি বিমান পরিষেবা আবার শুরু হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই মাসের শেষ থেকে ভারত ও চিনের মধ্যে আবার সরাসরি বিমান পরিষেবা শুরু করা হবে। সেই বিষয়ে সম্মতি মিলেছে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স এবং পিটিআই)

2/5 বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে ভারত এবং চিনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে সরাসরি উড়ান পরিষেবা চালু করবে ইন্ডিগো এবং চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স। বিদেশ মন্ত্রকের সবুজ সংকেতের পরই ইন্ডিগোর তরফে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে যে আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে কলকাতা ও গুয়াংঝুর মধ্যে বিমান চালুর পরিকল্পনা আছে। রোজ চলবে সেই বিমান। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

3/5 আসলে একটা সময় ভারত এবং চিনের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা ছিল। কিন্তু কোভিড মহামারীর জন্য তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারইমধ্যে লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের জেরে ভারত-চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মোতায়েন করা হয়েছিল ৫০,০০০-র বেশি জওয়ানকে। শেষপর্যন্ত গত বছর অক্টোবরে শেষ দুটি সংঘাতের জায়গা ডেমচক এবং ডেপস্যাং থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল ভারত এবং চিন।

4/5 তবে ভারত এবং চিনের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করার বিষয়টি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে একাধিক বৈঠকে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে দেখা হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লি এবং বেজিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধাপে-ধাপে স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে পুনরায় সরাসরি বিমান চালুর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা পালন করবে।

5/5সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যত ভালো হবে, তত চাপ বাড়বে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তাঁর শুল্ক-বোমার পরই ভারত এবং চিন আরও কাছাকাছি এসেছে। যা দ্রুত সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তারইমধ্যে ইন্ডিগোর তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লি থেকেও গুয়াংঝু পর্যন্ত সরাসরি বিমান চালানোর পরিকল্পনা আছে।

(Feed Source: hindustantimes.com)