এই ব্যাঙ্কের গ্রাহক আপনি? অগস্টে’ই পাঁচ লাখ টাকা করে পড়বে কিন্তু অ্যাকাউন্টে

এই ব্যাঙ্কের গ্রাহক আপনি? অগস্টে’ই পাঁচ লাখ টাকা করে পড়বে কিন্তু অ্যাকাউন্টে

ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের জরুরি খবর-

মহারাষ্ট্রের শঙ্কর রাও পূজারি নূতন কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক ও হরিহরেশ্বর সহকারী ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়। এর ফলে ব্যাঙ্কও বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাঙ্কে’র পরিস্থিতি বিচার করে আরবিআই এই দুই সমবায় ব্যাঙ্কে’র লাইসেন্স বাতিল করে দেয়। এর ফলে গ্রাহকদের টাকা আটকে যায়। তবে এবার গ্রাহকরা তাঁদের জমা টাকা ফেরত পাবেন। গ্রাহকরা আরবিআই-এর ডিজিসিএ থেকে ব্যাঙ্ক ডিপোজিটের উপর বীমা পান। আর এই বীমা’র পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর এই বীমার কভার থাকার ফলে ব্যাঙ্ক ডুবে গেলে কিংবা লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া, যে কোনও পরিস্থিতিতে অ্যাকাউন্টধারীরা তাদের জমার উপর বীমা কভারের অধীনে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষ টাকা পান।

অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে পাঁচ লাখ টাকা-

DGCA হল RBI-এর একটি সাবস্টিডি সংস্থা। যা ব্যাঙ্ক আমানতে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমা কভার প্রদান করে। অর্থাৎ যদি কোনও ব্যাঙ্ক ডুবে যায় কিংবা দেউলিয়া হয়ে যায় তাহলে ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের ইন্সোরেন্স বীমা কভার হসাবে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আর সেই নিয়ম অনুসারেই শঙ্কর রাও পূজারি নূতন কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং হরিহরেশ্বর সহকারী ব্যাঙ্ক এই কভারের আওতায় থাকা গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে 5 লক্ষ টাকা ডিজিসিএ জমা করবে৷ সংস্থা বলছে, আগামী ১০ অগস্ট এবং ২৮ অগিস্ট পর্যন্ত বীমার টাকা পড়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। আধার যুক্ত রয়েছে এমন অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের ইতিমধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ব্যাঙ্ক কেন বন্ধ হল-

২০২২ সালের মে, মাসে দুটি ব্যাঙ্কেরই লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করে দেওয়া হয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতি অনুযায়ী, দুটিই সহকারী ব্যাঙ্কে আর্থিক পরিস্থিতি খবই খারাপ ছিল। যা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের সুরক্ষা দেওয়ার যথেষ্ট নয়। আর তা খতিয়ে দেখার পরেই দুটি ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়। শঙ্কর রাও পূজারি নূতন কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের 99.84 শতাংশ গ্রাহক DGCA-এর অধীনে। এছাড়াও হরিহরেশ্বর সহকারী ব্যাঙ্কের 99.59 শতাংশ গ্রাহকই এর আওতায় রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন এই গ্রাহকদের বীমা কভারের অধীনে, অ্যাকাউন্টে 5 লক্ষ টাকা পাঠানো হবে।