
কিন্তু, এই দেশেই রয়েছে এমন এক ট্রেন যেখানে পাওয়া যায়, বিনামূল্যে খাবার। ট্রেনটির নাম সচখণ্ড এক্সপ্রেস। ট্রেনের নম্বর ১২৭১৫। মহারাষ্ট্রের নান্দেড় থেকে পাঞ্জাবের অমৃতসর পর্যন্ত যাতায়াত করে এই ট্রেনটি। কিন্তু, কেন বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায় এই ট্রেনে?
ভারতবর্ষে দূরপাল্লার ট্রেনে টাকা দিয়ে খাবার কিনে খাওয়াই নিয়ম। যাত্রার সময় ট্রেনে টাকা দিয়ে তবেই খাবার কিনে নিতে হবে। তবে এমন ট্রেনও রয়েছে, যেটিতে সফর করলে বিনামূল্যে খাবারের সুবিধা পান যাত্রীরা।
কিন্তু, এই দেশেই রয়েছে এমন এক ট্রেন যেখানে পাওয়া যায়, বিনামূল্যে খাবার। ট্রেনটির নাম সচখণ্ড এক্সপ্রেস। ট্রেনের নম্বর ১২৭১৫।মহারাষ্ট্রের নান্দেড় থেকে পাঞ্জাবের অমৃতসর পর্যন্ত যাতায়াত করে এই ট্রেনটি। কিন্তু, কেন বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায় এই ট্রেনে?
তা জানতে গেলে আমাদের জেনে নিতে হবে এই স্টেশনের ইতিহাস এবং তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগ।মহারাষ্ট্রের নান্দেড় থেকে পঞ্জাবের অমৃতসর পর্যন্ত যাতায়াত করে ট্রেনটি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি, গত প্রায় ২৯ বছর ধরে এই ট্রেনের যাত্রীরা বিনামূল্যে খাবারের সুবিধা। বস্তুত, এই ট্রেনের যাত্রাপথের শুরু এবং শেষ উভয় প্রান্তেই দুই ধর্মীয় স্থান রয়েছে। নান্দেড়ে রয়েছে হুজুর সাহিব গুরুদ্বার এবং অমৃতসরে রয়েছে স্বর্ণমন্দির (হরমিন্দর সাহিব গুরুদ্বার)।
প্রায় ২০০০ কিলোমিটারের যাত্রাপথ অতিক্রম করতে সময় লাগে প্রায় ৩৩ ঘণ্টা। ট্রেন থামে মোট ৩৯টি স্টেশনে। তার মধ্যে আছে ছ’টি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন
নয়া দিল্লি, ভোপাল, পারভানি, জালনা, ঔরঙ্গাবাদ এবং মারাঠওয়াড়া। এই ছয় স্টেশনে সচখণ্ড এক্সপ্রেসের যাত্রীদের জন্য বিশেষ লঙ্গর রয়েছে। এই লঙ্গরগুলিতে সাধারণত খিচুড়ি, ডাল, আলু-বাঁধাকপি-সহ বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায়।
এই প্রতিটি স্টেশনের মধ্যে নয়া দিল্লি, ভোপাল, পারভানি, জালনা, ঔরঙ্গাবাদ এবং মারাঠওয়াড়ায় বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায়। মূলত গুরুদ্বারগুলি থেকে পাওয়া অর্থ থেকেই এই খাবার দেওয়া হয়।
এসি কোচ থেকে জেনারেল কোচ যাত্রীদের সব জায়গাতেই পৌঁছে দেওয়া হয় এই খাবার। কিন্তু, যাত্রীদের নিজেদের বাসন সঙ্গে নিয়ে আসার অনুরোধ করা হয়।
(Feed Source: news18.com)
