
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: স্টকহোমের রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ঘোষণা করল এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার। ২০২৫ সালের নোবেল পদার্থবিদ্যায় সম্মান পেলেন তিনজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী – জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. দেভোরে এবং জন এম. মার্টিনিস।
তাঁদের যৌথ গবেষণা “বিদ্যুৎ বর্তনীতে ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম টানেলিং (macroscopic quantum mechanical tunnelling) ও শক্তির পরিমাণ নির্ধারণ (energy quantisation)” বিষয়ক অভাবনীয় আবিষ্কারের জন্যই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সূক্ষ্ম জগৎ কতটা বড় স্কেলে বা কত বড় সিস্টেমে কার্যকর হতে পারে তা বহু দিনের রহস্য। সাধারণত পরমাণু ও ইলেকট্রনের মতো ক্ষুদ্র কণায় দেখা যায় এই ধরনের আচরণ। তবে এবার এই তিন গবেষক দেখিয়েছেন, কোয়ান্টাম টানেলিং-এর মতো জটিল ঘটনা বড় একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটের মাধ্যমেও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। তাঁদের তৈরি করা সার্কিটটি এতটাই বড় যে তা হাতে ধরা যায় এবং তারই মধ্যে ঘটছে সম্পূর্ণ কোয়ান্টাম স্তরের শক্তির পরিমাণ নির্ধারণ ও টানেলিং।
এই গবেষণা শুধু তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে নয়, প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও এক নতুন দিক খুলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সাফল্য ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, যেমন কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং কোয়ান্টাম সেন্সর তৈরিতে বিশাল ভূমিকা রাখবে।
জন ক্লার্ক, জন্ম ১৯৪২ সালে কেমব্রিজে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে পিএইচডি। বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে-র অধ্যাপক।
মিশেল এইচ. দেভোরে, জন্ম ১৯৫৩ সালে প্যারিসে। প্যারিস-সুদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে পিএইচডি। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা বারবারার অধ্যাপক।
জন এম. মার্টিনিস, জন্ম ১৯৫৮ সালে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে থেকে ১৯৮৭ সালে পিএইচডি অর্জন করেন। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা বারবারার অধ্যাপক।
(Feed Source: zeenews.com)
