
৩ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মহিলা নাম নথিভুক্ত করেছেন
এক সরকারি আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন ৩ জুলাই সন্ধে পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মহিলা অগ্নিপথ প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন।

সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত নয়
নাম নথিভুক্তির প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফে ১৫ জুলাই থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদনকারীদের আবেদন পরীক্ষা করে দেখবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০২২-এ নৌবাহিনীতে ৩ হাজার অগ্নিবীরকে নিয়োগের কথা থাকলেও তাঁদের মধ্যে কতজন মহিলা থাকবেন, তা এখনও চূড়ান্ত করে উঠতে পারেনি নৌবাহিনী।

আইএনএস চিল্কায় হবে প্রশিক্ষণ
অগ্নিপথ প্রকল্পে নৌবাহিনীতে প্রশিক্ষণ হবে আইএনএস চিল্কায়। ২১ নভেম্বর থেকে সেই কাজ শুরু করা হবে। সেখানে মহিলাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকছে। নৌবাহিনীর এক আধিকারিকের কথায় নৌবাহিনীতে অগ্নিপথ প্রকল্পটি হবে লিঙ্গ নিরপেক্ষ। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ৩০ জন মহিলা অফিসার ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধজাহাজে রয়েছেন। নৌবাহিনীর তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মহিলা নাবিকদেরও নিয়োগ করা হবে। সব জায়গায় যখন মহিলারা কাজে সাফল্য পাচ্ছেন, এই ক্ষেত্রেও সাফল্য আসবে বলেও মনে করছেন তাঁরা।

অফিসার পদে নিয়োগ দিয়ে শুরু
দেশে সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৪ লক্ষ। ১৯৯০-এর দশক থেকে সামরিক বাহিনীতে মহিলাদের নিয়োগ করার প্রক্রিয়া শুরু, তবে তা একেবারেই অফিসার পর্যায়ে। ২০১৯-২০ সাল থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে মহিলাদের নিয়োহ শুরু করা হয়। তার ফল-স্বরূপ মিলিটারি পুলিশেএই মুহূর্তে ১০০ জন মহিলা রয়েছেন। এই মুহূর্তে তিন বাহিনীতে অগ্নিপথ প্রকল্পে ৪৬ হাজার জনকে নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাঁরা কাজ করবেন ৪ বছর। ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে ২৫ শতাংশকে ১৫ বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে। বাকিদের আধা সামরিক বাহিনী-সহ অসামরিক সেক্টরে চাকরির সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
অগ্নিবীরদের তিন বাহিনীর স্থায়ী সৈনিকদের মতো পুরস্কার, পদক পাবেন। বিমার সুবিধা দেওয়া হবে ৪৮ লক্ষ টাকার। কোনও অগ্নিবীর শহিদ কিংবা পঙ্গু হলে ৪৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
(Source: oneindia.com)
