
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সুইজারল্যান্ডের ইটিএইচ জুরিখের (ETH Zurich) বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন এক যুগান্তকারী টুল— যার নাম মেটাগ্রাফ (MetaGraph)। এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে গবেষকরা আদর করে ডাকছেন ‘ডিএনএ-র গুগল’ (Google for DNA) নামে। এটি বিশ্বের প্রথম এবং দ্রুততম জেনেটিক সার্চ ইঞ্জিন, যা ডিএনএ এবং আরএনএ ডেটাবেসে অনুসন্ধান করার পদ্ধতিকে পুরোপুরি বদলে দেবে।
কেন এই ‘ডিএনএ গুগল’-এর প্রয়োজন হলো?
বর্তমানে, আমেরিকান সিকোয়েন্স রিড আর্কাইভ (SRA) এবং ইউরোপিয়ান নিউক্লিওটাইড আর্কাইভ (ENA)-এর মতো পাবলিক রিপোজিটরিগুলিতে প্রায় ১০০ পেটাবাইট জেনেটিক ডেটা জমা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ডেটা ইন্টারনেটে থাকা মোট টেক্সট ডেটার সমান।এত বিশাল ডেটা থেকে একটি নির্দিষ্ট ডিএনএ বা আরএনএ সিকোয়েন্স খুঁজে বের করার প্রচলিত পদ্ধতিটি ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং খুবই ধীর গতির। এর ফলে রোগ ও জীবাণু নিয়ে গবেষণা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল।
মেটাগ্রাফ কীভাবে কাজ করে?
মেটাগ্রাফ এই সমস্যাটির সমাধান করেছে একটি সম্পূর্ণ নতুন উপায়ে।
কম্প্রেসড ইনডেক্স: এই টুলটি বিশাল পরিমাণ জেনেটিক ডেটাকে ডাউনলোড না করেই সেটিকে একটি সার্চ-যোগ্য, কম্প্রেসড ইনডেক্স-এ (Compressed Index) রূপান্তরিত করে।
৩০০ গুণ কম ডেটা: এই ইনডেক্স ডেটা স্টোরেজের প্রয়োজন ৩০০ গুণ পর্যন্ত কমিয়ে আনে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সব তথ্য ধরে রাখে।
দ্রুত অনুসন্ধান: গবেষকরা এখন একটি ডিএনএ সিকোয়েন্স ইনপুট করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জানতে পারবেন, সেটি কোন কোন পাবলিক ডেটাসেটে উপস্থিত আছে।
খরচ সাশ্রয়: এটি অনুসন্ধানকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলেছে, যেখানে প্রতি মেগাবেসে খরচ $0.74-এর মতো কম হতে পারে।
গবেষণা ও চিকিৎসায় এর ভূমিকা মেটাগ্রাফের দ্রুততা এবং নির্ভুলতা জেনেটিক গবেষণায় বিপ্লব আনতে চলেছে। এটি বিশেষত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে সহায়ক হবে।
রোগ চিহ্নিতকরণ: বিরল জেনেটিক রোগ এবং টিউমারের মিউটেশন দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
সংক্রামক রোগ: SARS-CoV-2 এর মতো উদীয়মান প্যাথোজেন বা জীবাণুগুলির গতিপথ এবং পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিন এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করা ব্যাকটেরিয়া-ভোজী (Bacteriophages) শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
জেনেটিক ডেটাবেসে দ্রুততম অনুসন্ধানের নতুন দিগন্ত!
সুইজারল্যান্ডের ইটিএইচ জুরিখের (ETH Zurich) বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন এক যুগান্তকারী টুল— যার নাম মেটাগ্রাফ (MetaGraph)। এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে গবেষকরা আদর করে ডাকছেন ‘ডিএনএ-র গুগল’ (Google for DNA) নামে। এটি বিশ্বের প্রথম এবং দ্রুততম জেনেটিক সার্চ ইঞ্জিন, যা ডিএনএ এবং আরএনএ ডেটাবেসে অনুসন্ধান করার পদ্ধতিকে পুরোপুরি বদলে দেবে।
কেন এই ‘ডিএনএ গুগল’-এর প্রয়োজন হলো?
বর্তমানে, আমেরিকান সিকোয়েন্স রিড আর্কাইভ (SRA) এবং ইউরোপিয়ান নিউক্লিওটাইড আর্কাইভ (ENA)-এর মতো পাবলিক রিপোজিটরিগুলিতে প্রায় ১০০ পেটাবাইট জেনেটিক ডেটা জমা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ডেটা ইন্টারনেটে থাকা মোট টেক্সট ডেটার সমান!
এত বিশাল ডেটা থেকে একটি নির্দিষ্ট ডিএনএ বা আরএনএ সিকোয়েন্স খুঁজে বের করার প্রচলিত পদ্ধতিটি ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং খুবই ধীর গতির। এর ফলে রোগ ও জীবাণু নিয়ে গবেষণা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল।
মেটাগ্রাফ কীভাবে কাজ করে?
মেটাগ্রাফ এই সমস্যাটির সমাধান করেছে একটি সম্পূর্ণ নতুন উপায়ে।
কম্প্রেসড ইনডেক্স: এই টুলটি বিশাল পরিমাণ জেনেটিক ডেটাকে ডাউনলোড না করেই সেটিকে একটি সার্চ-যোগ্য, কম্প্রেসড ইনডেক্স-এ (Compressed Index) রূপান্তরিত করে।
৩০০ গুণ কম ডেটা: এই ইনডেক্স ডেটা স্টোরেজের প্রয়োজন ৩০০ গুণ পর্যন্ত কমিয়ে আনে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সব তথ্য ধরে রাখে।
দ্রুত অনুসন্ধান: গবেষকরা এখন একটি ডিএনএ সিকোয়েন্স ইনপুট করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জানতে পারবেন, সেটি কোন কোন পাবলিক ডেটাসেটে উপস্থিত আছে।
খরচ সাশ্রয়: এটি অনুসন্ধানকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলেছে, যেখানে প্রতি মেগাবেসে খরচ $0.74-এর মতো কম হতে পারে।
গবেষণা ও চিকিৎসায় এর ভূমিকা মেটাগ্রাফের দ্রুততা এবং নির্ভুলতা জেনেটিক গবেষণায় বিপ্লব আনতে চলেছে। এটি বিশেষত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে সহায়ক হবে:
রোগ চিহ্নিতকরণ: বিরল জেনেটিক রোগ এবং টিউমারের মিউটেশন দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
সংক্রামক রোগ: SARS-CoV-2 এর মতো উদীয়মান প্যাথোজেন বা জীবাণুগুলির গতিপথ এবং পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিন এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করা ব্যাকটেরিয়া-ভোজী (Bacteriophages) শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক ল্যাবরেটরিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষও এর ব্যবহার করতে পারবে, ঠিক যেমন আজ আমরা দৈনন্দিন তথ্যের জন্য গুগল ব্যবহার করি। এটি জীবনকে সংকেত বা ‘কোড অফ লাইফ’ দ্রুত এবং আরও কার্যকরভাবে উন্মোচন করার পথে এক বিশাল অগ্রগতি।
(Feed Source: zeenews.com)
