)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শেখ হাসিনা সরকার উত্খাত হওয়ার পর গোটা দেশেই নিষিদ্ধ হয়েছে আওয়ামী লীগ। নতুন সরকারের আমলে দেশের সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার বেড়েছে। সংখালঘুরা তাদের অধিকার রক্ষায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। যে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এত অভিযোগ, সেই বিএনপি সমর্থিত সরকারও দেশে এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারেনি ইউনূস সরকার। এর মধ্যেই বাংলাদেশ সরকারের উপরে চাপ বাড়াল দুনিয়ার ৬ মানবাধিকার সংগঠন।
কী বলছে ওইসব সংগঠনগুলি? গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই ৬ মানবাধিকার সংস্থা হল—সিভিকাস, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), ফর্টিফাই রাইটস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ), রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস এবং টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউট। গত রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে লেখা খোলা চিঠিটি এইচআরডব্লিউ-র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে জুলাই বিপ্লব ও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মৌলিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা, আইন সংস্কার শুরু করা এবং গুম ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তদন্তের মতো উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। চিঠিতে মানবাধিকার বিষয়ে ১২টি সুপারিশ স্থান পেয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানকালে ও বিগত ১৫ বছরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতনসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাসহ যেকোনো মামলার ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান ঘোষণা করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে ওই ছয় মানবাধিকার সংস্থা।
একই সঙ্গে র্যাব বিলুপ্ত করা-সহ নিরাপত্তা খাত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থা ছয়টি। এ ছাড়া গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আইনে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। চিঠিতে প্যারিস প্রিন্সিপালের আওতায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
