
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ঠিক ৭ দিনের ব্যবধান। ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) ভাগ্যবদল হল না। গত ১৮ অক্টোবর যুবভারতীতে ১২৫তম আইএফএ শিল্ড ফাইনালে (IFA Shield Final 2025) মোহনবাগানের কাছে টাইব্রেকারে হারতে হয়েছিল লাল-হলুদকে। ২৫ অক্টোবর, আজ ইস্টবেঙ্গল, মরসুমের প্রথম ট্রফি জেতার লক্ষ্যে সুপার কাপে নেমেছিল ডেম্পো এসসি-র বিরুদ্ধে (East Bengal vs Dempo SC)। কিন্তু গোয়ার শহর বামবোলিমের জিএমসি অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে বিরাট ধাক্কা খেল অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। বিদেশিহীন দলের বিরুদ্ধে ছয় বিদেশিকে খেলিয়েও ২-২ গোলে ড্র করে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল।
প্রথমার্ধ
পাঁচ বিদেশিকে (হিরোশি-কেভিন-হামিদ-ক্রেসপো-রশিদ) প্রথম একাদশ সাজানো ইস্টবেঙ্গল প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছিল যে, তারা ডেম্পোকে একেবারেই হাল্কা ভাবে নিচ্ছে না। এদিন ২ মিনিটেই গোলের প্রথম সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বাঁ-দিক থেকে বিপিন সিংয়ের ভাসানো বল থেকে জাপানি তারকা হিরোশি ইবুসুকির দুরন্ত শট, ক্রসবারে লেগে ফিরে না আসলে এগিয়ে যেতে পারত মশালবাহিনী। ইস্টবেঙ্গল কিন্তু রীতিমতো আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে মাঠ শাসন করছিল। বিপিন একের পর এক ক্রস বাড়িয়ে খেলার রঙই বদলে দিচ্ছিলেন। কিন্তু খেলার ২৭ মিনিটে মহম্মদ আলির গোলে এগিয়ে যায় ডেম্পো। দেবজিৎ মজুমদারের ভুলেই গোল খেতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। ফ্রি-কিক থেকে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়েই বঙ্গতনয় খাবি খান। আগুয়ান মহম্মদ প্রায় ফাঁকায় গোল করে বেরিয়ে যান।
দ্বিতীয়ার্ধ
বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল আরও তেড়েফুঁড়ে ওঠে। খেলা শুরুর ৩৩ সেকেন্ডেই গোলের দেখা পেয়ে যায় লাল-হলুদ। হামিদের শট ডেম্পোর গোলরক্ষক প্রথমে রুখে দিলেও তা রিবাউন্ড হয়ে চলে যায় সোজা মহেশের কাছে। মহেশ নীচু শটে জালে বল জড়িয়ে দেন। এরপর ইস্টবেঙ্গল আরও আক্রমণ বাড়ায় খেলায়। ৫৭ মিনিটেই চলে আসে দ্বিতীয় গোল। বাঁ প্রান্ত ধরে ডেম্পোর বক্সের কাছে চলে আসেন মিগুয়েল। তাঁকে উঁচু পাস বাড়ান লালচুংনুঙ্গা। সেই বল ধরে দুরূহ কোণ থেকে আগুনে শটে গোল করেন মিগুয়েল। এরপর ৬৩ মিনিটেও ইস্টবেঙ্গলের কাছে গোলের সুযোগ চলে এসেছিল। মিগুয়েলের পাস থেকে মহেশের শট তে-কাঠিতে থাকলে গোল হয়ে যেতে পারত। ৮৯ মিনিটে রানের গোলে ডেম্পো সমতায় ফিরে ইস্টবেঙ্গলের জেতার স্বপ্ন মাটি করে দেয়।
ডার্বির আগেই চাপ!
ন’বছর আগে ভারতীয় ফুটবলের মূলস্রোত থেকে সরে যাওয়া ডেম্পোর ঝুলিতে পাঁচটি আই-লিগ আছে। কয়েক বছর আগে ফের তারা প্রত্যাবর্তনের লড়াইয়ে নেমেছে। আই-লিগের গোয়ানিজ ক্লাব এদিন কোনও বিদেশিকে ছাড়াই যে, খেলাটা উপহার দিল, তা নিঃসন্দেহে তারিফ করার মতো। সুপার কাপে প্রতি গ্রুপ থেকে একটি দলই সেমিফাইনালের আসন সংরক্ষণ করবে। ফলে ইস্টবেঙ্গল পয়েন্ট খুইয়ে বেশ চাপে পড়ে গেল। ডার্বির আগে কিন্তু চাপ বাড়ল
(Feed Source: zeenews.com)
