‘সবুজ-গেরুয়া-লাল’, যেমন বাহারি চুলেন ছাঁট, তেমন নানা রঙ! সিউড়ির ‘এই’ বিসর্জন শোভাযাত্রা যেন ফ্যাশন শো, খরচ লক্ষাধিক

‘সবুজ-গেরুয়া-লাল’, যেমন বাহারি চুলেন ছাঁট, তেমন নানা রঙ! সিউড়ির ‘এই’ বিসর্জন শোভাযাত্রা যেন ফ্যাশন শো, খরচ লক্ষাধিক

Unique Idol Immersion : বিসর্জনের শোভাযাত্রা নাকি ফ্যাশন শো, দেখে সহজে বোঝা যাবে না। সিউড়িতে বামদেব ক্লাবের বিসর্জনে চুলের ছাঁটে মাতোয়ারা শহরবাসী।

বিসর্জনের শোভাযাত্রা

সিউড়ি, বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: বিসর্জনের শোভাযাত্রা না ফ্যাশন শো! সিউড়ির রাস্তায় রবিবার বিকেলে যেন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল সকলের মনে। একের পর এক চমকে ভরা সাজসজ্জায় চোখ ফেরানো দায়। কেউ সেজেছেন মহাদেব, কেউ মা কালী, কেউ আবার সং সেজে কাঁধে করে নিয়ে যাচ্ছেন দেহ। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে এ বছরের আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল বাহারি চুলের ছাঁট। কেউ মাথায় বানিয়েছেন গিরগিটি, কেউ আবার কুমড়ো বা আনারসের আদল।

কোথাও স্পাইক করা আগুনরঙা চুল, কোথাও আবার ডিজাইনের জাদুতে ফুটে উঠেছে নানা রূপকল্প। আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষই অংশ নিয়েছেন এই ব্যতিক্রমী শোভাযাত্রায়। তাঁদের দেখতে দুপুর থেকেই রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমে যায় সিউড়িবাসীর। বামদেব ক্লাবের কালীপুজো এখন এক ঐতিহ্য। প্রায় ৪৫ বছর ধরে চলে আসছে এই পুজো ও বিসর্জনের আয়োজন। গত কয়েক বছর ধরে অভিনবভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন শোভাযাত্রা করে রীতিমতো সাড়া ফেলেছে তারা। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ক্লাবের সদস্য সুশান্ত ঘোষ বলেন, “আমাদের মেইন আকর্ষণ হেয়ার স্টাইল। এই জন্যই মানুষ এত দূর থেকে আসে। গোটা বীরভূম এমনকি পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় বামদেবের প্রসেশনের নাম আছে। আমাদের ক্লাবের ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন, দিদিরা সবাই মিলে এই উৎসব করি।” বাজেটের প্রসঙ্গ উঠতেই হাসতে হাসতে তিনি জানান, “আমাদের বাজেট কখনও কমে না, বাড়তেই থাকে! গত বছর যেখানে ৪ লাখ টাকা ছিল, এবছর শুধুমাত্র বিসর্জনের বাজেটই প্রায় ৫ লাখ টাকা। আমরা হিসাব করি মাকে নিরঞ্জন করার পর।”

(Feed Source: news18.com)