Ganikhan Choudhury’s Mercedes: বিদেশ থেকে মার্সিডিজ এসেছিল বিমানে, গনি খানের প্রয়াণের দু’ দশক পর তাঁর প্রিয় বাহনকে দেখতে আজও ভিড় উৎসাহীদের

Ganikhan Choudhury’s Mercedes: বিদেশ থেকে মার্সিডিজ এসেছিল বিমানে, গনি খানের প্রয়াণের দু’ দশক পর তাঁর প্রিয় বাহনকে দেখতে আজও ভিড় উৎসাহীদের

Ganikhan Choudhury’s Mercedes: ৯০ এর দশকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হ‌ওয়ার পর শখ করে কিনেছিলেন বিদেশি এই মার্সিডিজ। নতুন নয় সেকেন্ড হ্যান্ড এই গাড়িটি বিদেশ থেকে আনিয়েছিলেন বিমানে। তবে তার মৃত্যুর পর আজও বিদেশি এই মার্সিডিজ গাড়ি স্মৃতি হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে মালদহের কোতোয়ালি ভবনে। তাই তাঁকে স্মরণ করে আজও গাড়িটি দেখতে কোতোয়ালি ভবনে ছুটে আসেন বহু মানুষ।

লাল বাতি লাগানোএ বিএ গণি খান চৌধুরীর বিদেশি মার্সিডিজ

মালদহ, জিএম মোমিন: এলাকায় এই গাড়িটি দেখলেই ভিড় জমত বহু মানুষের। মাথায় লালবাতি লাগানো লম্বা চওড়া বিদেশি এই গাড়িটিকে দেখলেই সাধারণ মানুষরা বুঝে যেতেন কে এসেছেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবিএ গনি খান চৌধুরীর বিদেশি এই গাড়ি এলাকায় প্রবেশ করা মাত্রই ভিড় জমত বহু মানুষের। নয়ের দশকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হ‌ওয়ার পর শখ করে কিনেছিলেন বিদেশি এই মার্সিডিজ। নতুন নয়, সেকেন্ড হ্যান্ড এই গাড়িটি বিদেশ থেকে আনিয়েছিলেন বিমানে। তবে তাঁর মৃত্যুর পর আজও বিদেশি এই মার্সিডিজ গাড়ি স্মৃতি হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে মালদহের কোতোয়ালি ভবনে। তাই তাঁকে স্মরণ করে আজও লালবাতি লাগানো এই মার্সিডিজ গাড়িকে দেখতে মালদহের কোতোয়ালি ভবনে ছুটে আসেন জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন।

গনি পরিবারের সদস্য তথা মালদহ দক্ষিণের লোকসভা সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী জানান, “এই গাড়িটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জেলাবাসীর আবেগ। মন্ত্রী থাকাকালীন তিনি জেলায় যখন ঘুরে বেড়াতেন, তাঁকে দেখতে যেমন ভিড় জমত ঠিক একইভাবে ভিড় জমত এই গাড়িটিকে দেখতে। এবিএ গনি খান চৌধুরী আজও মানুষের মনে প্রাণে জীবিত রয়েছেন। তাই তাঁকে স্মরণ করে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন আজও ছুটে আসে এখানে।”

(Feed Source: news18.com)