Bihar JDU leader’s death: ভোটের মুখেই বীভত্‍স বিহার! মিলল মুখ্যমন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ নেতার দেহ, এলোমেলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে স্ত্রী-মেয়েও… আতঙ্ক…

Bihar JDU leader’s death: ভোটের মুখেই বীভত্‍স বিহার! মিলল মুখ্যমন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ নেতার দেহ, এলোমেলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে স্ত্রী-মেয়েও… আতঙ্ক…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিহারের পূর্ণিয়ায় JD(U) নেতার ভাই-সহ একই পরিবারের তিনজনের রহস্যজনক মৃত্যু

বিহারে প্রথম দফার নির্বাচন আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। তার আগেই ব্যাপক চাঞ্চল্য বিহারের পূর্ণিয়ায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে বন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার হল জেডিইউ নেতা নিরঞ্জন কুশওয়ারের পরিবারের তিন সদস্যের মৃতদেহ। জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন নিরঞ্জনের দাদা নবীন কুশওয়া, তাঁর বউদি কাঞ্চন মালা সিং এবং ভাইঝি তনুপ্রিয়া।

জনতা দল (ইউ) বা জেডি(ইউ)-এর এক নেতার বড় ভাই, তাঁর স্ত্রী এবং কন্যাকে তাঁদের বাসভবনের ভিতরে বন্ধ ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পূর্ণিয়া সদর মহকুমা পুলিস আধিকারিক (এসডিপিও) জ্যোতি শঙ্কর জানান, মৃতদেহগুলি কেহাট থানা এলাকার ইউরোপিয়ান কলোনির তাঁদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে, এভাবে পরিবারের এত জনের মৃত্যু কীভাবে হল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। এসডিপিও জানিয়েছেন, ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েই পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নবীন কুশওয়াহা ছিলেন স্থানীয় জেডি(ইউ) নেতা নীরঞ্জন কুশওয়াহার বড় ভাই, যিনি এই অঞ্চলে একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

এসডিপিও বলেন, ‘বাড়ি থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি পুলিস দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মৃতদেহগুলিকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’

ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করা শুরু করেছে এবং পুলিস এই রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে।

অন্য এক পুলিস জানান, ‘স্থানীয়রা দাবি করেছেন যে নবীন কুশওয়াহা এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলেন এবং তিনি এর আগে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।’

কিছু আত্মীয়ের অনুমান, তনুপ্রিয়া হয়ত দুর্ঘটনাক্রমে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয় পুলিস কর্তা বলেন, ‘তাঁরা আরও সন্দেহ করছেন যে মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করার সময় তাঁর বাবাও সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে মারা যান। পরে স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মালা দেবী হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।’

পুলিস জানিয়েছে যে তারা ‘সব দিক থেকে ঘটনার তদন্ত করছে।’ রাজ্যের মন্ত্রী লেসি সিং এবং পূর্ণিয়ার নির্দল লোকসভা সাংসদ রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদব মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সাথে দেখা করেন।

মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন এবং তদন্ত চলছে। বিধানসভা ভোটের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা পূর্ণিয়াজুড়ে।

(Feed Source: zeenews.com)