Ahmedabad Plane Crash: ‘বোঝা চাপাবেন না, এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনার জন্য…’ নিহত AI পাইলটের বাবাকে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বলল…

Ahmedabad Plane Crash: ‘বোঝা চাপাবেন না, এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনার জন্য…’ নিহত AI পাইলটের বাবাকে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বলল…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: “ছেলে চলে গেছে। বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্য়ু হয়েছে ছেলের। তাই সে এসে নিজের কথা বলতে পারবে না। এই সুযোগে তাঁর ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) জন্য তাঁকে দায়ী করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, তাঁর মানসিক অস্থিরতা ও অবসাদের কারণেই ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনা (Air India Crash) ঘটেছে। বিমান নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে আমার ছেলে। যা সর্বৈব মিথ্যে। আমার ছেলের কোনও মানসিক অবসাদ ছিল না। তাই পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দুর্ঘটনার যথার্থ কারণ খুঁজে বের করা হোক।” সুপ্রিম কোর্টের কাছে সেই আর্জি জানিয়েছিলেন অভিশপ্ত AI-171-এর পাইলট সুমিত সাভারওয়ালের ৯১ বছরের বাবা পুষ্কররাজ সাভারওয়াল (AI Pilot Sumit Sabharwal father)। আজ সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) বলল…

“ভারতের কেউ এটা বিশ্বাস করে না যে এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনার জন্য পাইলট দায়ী। তাই নিজের উপর বোঝা চাপাবেন না।”

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কান্ত বলেন,”দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ছিল। কিন্তু আপনার ছেলেকে যে দোষারোপ করা হচ্ছে, এই বোঝা আপনার বহন করা উচিত নয়। কারণ, ভারতের কেউ এটা বিশ্বাস করে না যে এটি পাইলটের দোষ ছিল। প্রাথমিক রিপোর্টে পাইলটের বিরুদ্ধে কোনও ইঙ্গিত নেই। একজন পাইলট অন্যজনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, জ্বালানি  কি কেটে দিয়েছ? অন্যজন ‘না’ বলেন।” এর পাশাপাশি এদিন কেন্দ্র, বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক (DGCA) এবং বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (AAIB)-কেও নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।

১২ জুন আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে ২৪২ জন যাত্রীকে নিয়ে টেক অফের কয়েক সেকেন্ড পরই আমদাবাদের বিজে মেডিক্যাল কলেজের একটি হস্টেল ভবনের উপর ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। ১ জন যাত্রী ছাড়া বাকি সবাই প্রাণ হারান সেই দুর্ঘটনায়। সেইসঙ্গে হস্টেলের ডাক্তার ও বেশ কয়েকজন স্থানীয়-সহ মোট ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনার ১ মাসের মাথায়, ১২ জুলাই AAIB দুর্ঘটনার একটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করে। যেখানে উঠে আসে দুজন পাইলটের কথোকথন।

সেই রিপোর্টে উল্লেখ, একজন পাইলটকে অপরজনকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যায়, “তুমি সুইচ বন্ধ করলে কেন?” যার উত্তরে অপর পাইলট জানান, তিনি কোনও সুইচ বন্ধ করেননি। প্রসঙ্গত, আমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে AI-171 টেক অফের পরই জ্বালানি সুইচ “কাট-অফ” হয়ে গিয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ। যদিও প্রায় ১০ সেকেন্ড পরে সুইচগুলি পুনরায় চালু করা হয়েছিল, কিন্তু ততক্ষণে বিমানের ইঞ্জিনগুলি আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। যার ফলেই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

এখন এই রিপোর্ট সামনে আসার পরই ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, দুর্ঘটনার জন্য পাইলট দায়ী। মানসিক অবসাদ থেকেই পাইলট বিমান নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। যে রিপোর্ট সামনে আসতেই ঝড় ওঠে। বিতর্ক ছড়ায়। এরপরই DGCA-কে চিঠি লেখার পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থ হন ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালর অশীতিপর বাবা।

(Feed Source: zeenews.com)