
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দিল্লির লাল কেল্লার বিস্ফোরণ কাণ্ডে দেশ জুড়ে কড়া নিরাপত্তা। আত্মঘাতী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ মৃত কমপক্ষে ১৩। ২৯ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা এখনও গুরুতর। নিহতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
আহতদের মধ্যে আছেন- শায়না পারভীন, হর্ষুল, শিব জয়স্বাল, সামীর, জোগিন্দার, ভবানী শঙ্কর শর্মা, গীতা, বিনয় পাঠক, পাপ্পু, বিনোদ, শিবম ঝা, অজানা (আহত), মোহাম্মদ শাহনাওয়াজ, অঙ্কুশ শর্মা, মোহাম্মদ ফারুক, তিলক রাজ, অজানা (আহত), মোহাম্মদ সফওয়ান, মহম্মদ দাউদ, কিশোরী লাল, আজাদ।
নিহতদের বেশিরভাগ জনেরই পরিচয় এখনও অজানা। নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন উত্তর প্রদেশের আমরোহার বাসিন্দা অশোক। পরিবারের আট সদস্যের মধ্যে তিনিই একাই উপার্জন করতেন।
LNJP হাসপাতালে, যেখানে দিল্লি বিস্ফোরণের আহতরা চিকিৎসাধীন। সেখানে বাইরে দেখা যাচ্ছে শোকাহত পরিবারদের ভিড়। যারা তাদের হারানো প্রিয়জনকে খুঁজছেন। এক প্রবীণ ব্যক্তিকে তাঁর আত্মীয় লোকেশ কুমার গুপ্তকে হন্যে হয়ে খুঁজতে দেখা গিয়েছে।
আরও এক নিহত অমর কাটারিয়া, একজন ফার্মাসিউটিক্যাল ব্যবসায়ী, দিল্লি বিস্ফোরণে শিকার। ৩৪ বছর বয়সী অমর শ্রীনিবাসপুরের বাসিন্দা। পুরো দিনের কাজ শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি ভগীরথ প্যালেসে থাকা তার ফার্মেসি বন্ধ করেছিলেন, যা লাল কেল্লা থেকে প্রায় ৬ কিমি দূরে, এবং বাড়ি ফেরার পথে বিস্ফোরণে বেঘোরে প্রাণ হারান। তাঁর বাবাকে LNJP হাসপাতালের বাইরে চিৎকার করতে দেখা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের পর ভয়ংকর কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, লোকজন কোনও আড়াল বা আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়চ্ছেন! আশপাশের দোকানপাট সব কেঁপে উঠেছে। গোটা এলাকায় ভেসে বেড়াচ্ছিল কম্পনের সাংঘাতিক স্রোত! রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের চারিদিকে তখন প্যানিক, টেনশন, উদ্বেগ, উত্তেজনা। ভয়াবহ বিস্ফোরণের তরঙ্গ গাড়ির পর গাড়ির ভিতর দিয়ে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়েছে। সে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা!
(Feed Source: zeenews.com)
