রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ভারত: শেষ বলে ৩ রান করে ম্যাচ টাই, সুপার ওভারে ওয়াইড থ্রো করে হেরেছে।

রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ভারত: শেষ বলে ৩ রান করে ম্যাচ টাই, সুপার ওভারে ওয়াইড থ্রো করে হেরেছে।

উইকেটে উদযাপন করছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।

সেমিফাইনালে হেরে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ভারত-এ। শুক্রবার দোহায় সুপার ওভারে দলকে হারিয়েছে বাংলাদেশ এ। শেষ বলে ৩ রান নিয়ে কোনোমতে ম্যাচ টাই করে দিলেও সুপার ওভারে একটি রানও করতে পারেনি ভারত। সুপার ওভারের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। বোলিং করতে থাকা সুয়াশ শর্মা পরের বলে ওয়াইড বোল্ড করে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।

ভারতের পক্ষ থেকে, বৈভব সূর্যবংশী 38 রান এবং প্রিয়াংশ আর্য 44 রান করে ভারত-এ জয়ে সহায়তা করে। গুরজাপনীত সিং নেন ২ উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে হাবিবুর রহমান ৬৫ ও মেহরাব ৪৮ রান করেন। সুপার ওভারে দুই বলে ২ উইকেট নেন রিপন মণ্ডল।

হাবিবুর রহমান ফিফটি করেন

শেষ ওভারে দ্রুত রান তোলে বাংলাদেশ।

শেষ ওভারে দ্রুত রান তোলে বাংলাদেশ।

শুক্রবার দোহার ওয়েস্ট এন্ড পার্ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং বেছে নেয় ভারত এ। বাংলাদেশকে শক্তিশালী সূচনা এনে দেন হাবিবুর রহমান সোহান ও জিশান আলম। 14 বলে 26 রান করে জিশান আউট হওয়ার পর দুজনের মধ্যে 43 রানের জুটি ভেঙে যায়।

হাবিবুর একপ্রান্তে থেকে গেলেও তার সামনে উইকেট পড়তে থাকে। জাওয়াদ আবরার ১৩, ক্যাপ্টেন আকবর আলী ৯ ও আবু হিদার খাতা না খুলেই আউট হন। হাবিবুরও ৬৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ১৩০ রানে ৬ উইকেট হারায় দল।

মেহরোব 200 এর কাছাকাছি নিয়ে আসে ১ রান করে আউট হন মাহিদুল ইসলাম। এখান থেকে মেহরাব ও ইয়াসির আলি বাংলাদেশকে নিয়ে যান ১৯৪ রানে। মেহরোব ১৮ বলে ৪৮ এবং ইয়াসির ৯ বলে ১৭ রান করেন। ইন্ডিয়া-এ থেকে ফাস্ট বোলার গুরজাপনীত সিং ৩৯ রানে ২ উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট পান হর্ষ দুবে, সুয়াশ শর্মা, রমনদীপ সিং ও নমন ধীর। বিজয়কুমার বৈশাখ কোনো উইকেট নিতে পারেননি।

বিজয়কুমার বৈশাখ ৪ ওভারে ৫১ রান খরচ করেন।

বিজয়কুমার বৈশাখ ৪ ওভারে ৫১ রান খরচ করেন।

শক্তিশালী শুরুর পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ভারত-এ ১৯৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শক্তিশালী শুরু করেছিল ভারত এ। মাত্র ৩ ওভারে ৪৯ রান করে দল। বৈভব সূর্যবংশী ১৫ বলে ৩৮ রান করে আউট হন, এখান থেকেই দলের স্কোরিং হার কমতে থাকে। দলটি ৬ ওভারে মাত্র ৬২ রান করতে পারে। ১২ বলে ৭ রান করে আউট হন নমন ধীর।

এরপর প্রিয়াংশ আর্য 23 বলে দ্রুত 44 রান করে দলকে 100 রানের কাছাকাছি নিয়ে যান। এরপর অধিনায়ক জিতেশ শর্মা এবং নেহাল ওয়াধেরা দলকে ১৫০ রানে নিয়ে যান। ৩৩ রান করে আউট হন জিতেশ। এখান থেকে দলের প্রয়োজন ৩০ বলে ৪৫ রান।

বৈভব সূর্যবংশী 15 বলে 38 রান করেন।

বৈভব সূর্যবংশী 15 বলে 38 রান করেন।

শেষ বলে ৩ রান নিয়ে ম্যাচ টাই হয় ভাধেরা এরপর রমনদীপ সিংকে সঙ্গে নিয়ে দলকে লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যান। 11 বলে 17 রান করে আউট হন রমনদীপ। শেষ ওভারে দলের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান, রকিবুল হাসানের বিপক্ষে প্রথম ২ বলে মাত্র ২ রান। তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান আশুতোষ শর্মা।

আশুতোষ চতুর্থ বলটি লং অফের দিকে খেলেন, কিন্তু ফিল্ডার ক্যাচ ছেড়ে দেন এবং বল চলে যায় চারে। পঞ্চম বলে বোল্ড হন আশুতোষ। শেষ বলে চার রান দরকার ছিল, হর্ষ দুবে ৩ রান করে ম্যাচ টাই করে দেন।

সুপার ওভারে একটি রানও করতে পারেনি ভারত সুপার ওভারে ভারত এ থেকে ব্যাট করতে নামেন ক্যাপ্টেন জিতেশ শর্মা ও রমনদীপ সিং। বল করতে আসেন রিপন মন্ডল। প্রথম বলটি ইয়র্কার করে জিতেশকে বোল্ড করেন তিনি। আশুতোষ শর্মা ব্যাট করতে আসেন, রিপন স্লোয়ার বল করেন এবং আশুতোষ কভারে ধরা পড়েন।

সুপার ওভারে মাত্র ২ উইকেট, তাই কোনো রান না করেই আউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। বাংলাদেশ-এ লক্ষ্য পায় ২১৪ রান। দল থেকে ব্যাট করতে আসেন ইয়াসির আলী ও জিশান আলম। ভারত থেকে সুয়াশ শর্মা ওভার করতে এসে প্রথম বলেই ইয়াসিরকে ক্যাচ দিয়েছিলেন। আকবর আলী ব্যাট করতে আসেন, পরের বলে সুয়্যাশ ওয়াইড বোল্ড করে জয় পায় বাংলাদেশ।

সুপার ওভারে সুয়াশ শর্মা ওয়াইড বোলিং করেন এবং বাংলাদেশ-এ ফাইনালে পৌঁছে যায়।

সুপার ওভারে সুয়াশ শর্মা ওয়াইড বোলিং করেন এবং বাংলাদেশ-এ ফাইনালে পৌঁছে যায়।

23 নভেম্বর ফাইনাল আজ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলা হবে পাকিস্তান-এ এবং শ্রীলঙ্কা-এ-এর মধ্যে। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ-এ-এর বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে। টুর্নামেন্টে ভারতের প্রথম পরাজয় পাকিস্তান-এ-র বিপক্ষে। গত বছরও ফাইনালে উঠতে পারেনি দলটি।

(Feed Source: bhaskarhindi.com)