Birbhum IIT Kharagpur: আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনী অশোক দে আমেরিকার টেক্সাস অঞ্চলের হিউস্টন শহরে একটি বড় বাড়ি দান করেছেন। সেই বাড়িতে খড়গপুর আইআইটি-র একটি শাখা চালু করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ৯ নম্বরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ইঞ্জিনিয়ারিং ৫-এ আইআইটি খড়গপুর।
বীরভূম, সৌভিক রায়: দেশ ছাড়িয়ে এবার বিদেশের মাটিতে অর্থাৎ মার্কিন মুলুকে তৈরি হচ্ছে আইআইটি খড়গপুরের শাখা। জানা গিয়েছে, মার্কিন মুলুকে আমেরিকার টেক্সাসের হিউস্টন শহরে খড়গপুরের প্রাক্তনীর দান করা বাড়িতে গড়ে তোলা হবে প্রথম ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যার আন্তর্জাতিক শাখা।
বোলপুর শান্তিনিকেতনের রাঙাবিতানে আইআইটি, খড়গপুরের ৭৫-তম বর্ষপূর্তিতে বিশেষ ডাক টিকিটের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আইআইটি খড়গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্য পোস্ট মাস্টার জেনারেল অশোক কুমার এবং অন্যান্য প্রমুখদের হাত ধরে।
ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়গপুর ক্যাম্পাসের মনোরম সুন্দর ছবি থাকা প্রায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ডাক টিকিট এখন থেকেই পাওয়া যাবে দেশের ১ লক্ষ ডাকঘরে। জানা গেছে ১৯৫১ সালে দেশের প্রথম ভারতীয় প্রযুক্তি বিদ্যার প্রতিষ্ঠান হিসাবে আইআইটি খড়গপুরের জন্ম। বিদেশের মাটিতে শাখা খোলার পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক স্তরে খড়গপুরের ভাবনা আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস বলেই মনে করছে সমস্ত শিক্ষা মহল।
খড়গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তী বলেন, “ডাক টিকিট প্রকাশের মাধ্যমে দেশের প্রথম প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন শুরু হল। শান্তিনিকেতন মূলত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পবিত্র ভূমি। তাই টিকিট প্রকাশের উপযুক্ত স্থান হিসাবে এই স্থানকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “খড়্গপুরের আইআইটি প্রাক্তনী অশোক দে আমেরিকার টেক্সাস অঞ্চলের হিউস্টন শহরে তাঁর নিজের একটি বড় বাড়ি দান করেছেন। আর প্রাক্তনীর দান করা সেই বাড়িতেই সেখানেই খড়গপুর একটি শাখা খুলতে চলেছে। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকেও সম্পূর্ণ রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কিন মুলুকে শুধুমাত্র প্রযুক্তিবিদ্যার উপরই নয়, বিভিন্ন সামাজিক বিষয়েও পঠনপাঠনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন পালক সংযোজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।”
(Feed Source: news18.com)