কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার তেলের ট্য়াঙ্কারে ড্রোন হামলা! আগুনের শিখা দেখা গেল বহু দূর থেকে, নেপথ্যে কে?

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার তেলের ট্য়াঙ্কারে ড্রোন হামলা! আগুনের শিখা দেখা গেল বহু দূর থেকে, নেপথ্যে কে?

নয়াদিল্লি: কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার তেল বয়ে নিয়ে যাওয়া ট্যাঙ্কারে hj hj হামলার অভিযোগ। স্বয়ংক্রিয় যান বা ড্রোন থেকে তেলের ট্যাঙ্কারটিতে হামলা চালানো হয় বলে দাবি। তুরস্ক উপকূলে শুক্রবার রাতেই তেলের ট্যাঙ্কারটিকে আঘাত করার খবর সামনে আসে। শনিবার তুরস্ক জানাল, স্বয়ংক্রিয় যান বা ড্রোন দ্বারা হামলা চালানো হয়েছে। আরতার পরই হামলার দায় স্বীকার করল ইউক্রেন। (Russian Oil Tankers Attacked)

শুক্রবার রাতের পর, শনিবার সকালেও যে তেলের ট্যাঙ্কারটিতে হামলা চালানো হয়েছে, তার নাম ‘বিরাট’ (VIRAT). সেটি রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিটে’র অংশ বলে জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ তেলবাহী জাহাজটির মালিক কে, কোথা থেকে কোথা যাচ্ছিল, তা গোপন রাখা হয়। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে পণ্য কেনাবেচা করতে এই ধরনের জাহাজ ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ। 

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে এই মুহূর্তে আমেরিকা, ইউরোপ নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে রাশিয়ার উপর। তেলের ট্যাঙ্কার ‘বিরাটে’ রাশিয়া থেকে অন্যত্র অশোধিত তেল পৌঁছচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে হামলার নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে, তা প্রথমে স্পষ্ট না হলেও, শেষে দায় স্বীকার করে ইউক্রেন। সংবাদ সংস্থা AFP ইউক্রেনীয় বাহিনীর একজনকে উদ্ধৃত করে জানায়, ইউক্রেনের নৌবাহিনীর আধুনিকতম ‘Sea Baby’ ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয় জাহাজ দু’টিতে। ইউক্রেনের SBU সিকিওরিটি জাহাজে আগুনের ভিডিও-ও শেয়ার করেছে সকলের সঙ্গে, তাতে বিস্ফোরণ ঘটতেও দেখা যায়। তাদের দাবি, বেশ ক্ষতি হয়েছে ট্যাঙ্কারের।

তুরস্ক উপকূলের কাছে হামলা নেমে আসে ‘বিরাটে’র উপর। তুরস্ক পরিবহণ মন্ত্রক জানায়, হামলায় অল্পবিস্তরই ক্ষতি হয়েছে ট্যাঙ্কারটির। সেটি স্থিতিশীল রয়েছে। কর্মীরাও সকলে ঠিক আছেন। যদিও যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে আগুনের লেলিহান শিখা চোখে পড়েছে।

এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারণ কৃষ্ণসাগরে রাশিয়া অভিমুখী আর একটি ট্যাঙ্কার, ‘কায়রোসে’ (Kairos) আগুন লাগার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেয় তুরস্কই। ২৫ জন কর্মীকে উদ্ধার করা হয়। রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল জাহাজটি। তুরস্ক উপকূল থেকে দূরত্ব ছিল ২৮ নটিক্যাল মাইল। যদিও আগুনের প্রভাব ‘বাহ্যিক’ বলে উল্লেখ করা হয়। 

তবে ‘কায়রোস’ এবং ‘বিরাট’ দু’টি জাহাজের উপরই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই দু’টি জাহাজের উপর কি পরিকল্পিত ভাবেই হামলা চালানো হল, উঠছে প্রশ্ন। তবে হামলার সময় জাহাজ দু’টিতে তেল ছিল না বলেই জানা যাচ্ছে।

(Feed Source: abplive.com)