Rasgullas Mystery WATCH: সামান্য রসগোল্লার জন্য বন্ধ হয়ে গেল বিয়ে! সকলকে অবাক করে দিয়ে কনের পরিবার বলল…রইল ভিডিয়ো…

Rasgullas Mystery WATCH: সামান্য রসগোল্লার জন্য বন্ধ হয়ে গেল বিয়ে! সকলকে অবাক করে দিয়ে কনের পরিবার বলল…রইল ভিডিয়ো…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রসগোল্লা নিয়ে রসভঙ্গ বিয়ের আসরে। বিয়েবাড়িতে কম পড়ে গেল রসগোল্লা (Rasgullas Shortage)। এর জেরে বর আর কনের পরিবারের মধ্যে বাধল হাতাহাতি (Bride And Groom’s Families Fight Over)। বন্ধ হয়ে গেল বিয়ে (Wedding Called Off)। কোথায় ঘটল এমন অদ্ভূত ঘটনা?

বোধহীন বোধগয়া?

এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে বিহারে। বিহারের বোধগয়াতে। বোধগয়ার একটি বিয়ে বাড়িতে রসগোল্লার ঘাটতি নিয়ে বর ও কনের পরিবারের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা ও মারামারি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজন ও অতিথিরা হাতাহাতি করছেন, ধাক্কাধাক্কি করছেন, এমনকি লাল প্লাস্টিকের চেয়ার তুলেও চলছে মারামারি!

চেয়ার, প্লেট ছোড়াছুড়ি

গত ২৯ নভেম্বর বোধগয়ার একটি হোটেলে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে কনের পরিবার উঠেছিল। বরের পরিবার কাছের একটি গ্রাম থেকে সেখানে এসেছিল। পুলিস জানিয়েছে, বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে পর্যাপ্ত রসগোল্লা না থাকার বিষয়টি জানতে পেরে কনের পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে। সিসিটিভি ফুটেজে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, লোকজন খাবারের স্টলের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে, কোনো উত্তেজনার লক্ষণ ছিল না। তবে, খুব দ্রুত মারামারি শুরু হয়ে যায়, যেখানে অনেকেই চেয়ার, প্লেট এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ছোড়াছুড়ি করতে শুরু করে দেয়।Watch

পণ দাবির অভিযোগ

পুলিস জানায়, উভয় পরিবারের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মারামারি শুরু হওয়ার সময় বর-কনে বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান সেরে মণ্ডপের দিকে যাচ্ছিলেন। রসগোল্লা নিয়ে এই মারামারির জেরে বিয়ে ভেস্তে যাওয়ার পর কনের পরিবার বরের পক্ষের বিরুদ্ধে পণ দাবি করার অভিযোগ দায়ের করেছে।

বরের পরিবারের অনুরোধে ‘না’

বরের বাবা মহেন্দ্র প্রসাদ বুধবার নিশ্চিত করেছেন, রসগোল্লা নিয়েই প্রথমে ঝগড়া, পরে মারামারি শুরু হয়। তিনি দাবি করেন, কনের পরিবার এই ঘটনার পরে মিথ্যাভাবে পণের অভিযোগ দায়ের করেছে। বরের পরিবার বিয়েতে রাজি থাকলেও, কনের পরিবার শেষ পর্যন্ত এই বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। বরের মা মুন্নি দেবী অভিযোগ করেছেন যে, মারামারির সময় কনের পরিবার তাঁর আনা উপহারের গয়না নিয়ে নিয়েছে। বরের পরিবার হোটেল বুকিংয়ের দায়িত্বও তাদের ছিল বলে দাবি করেছে। বরের কাকা সুশীল কুমার বলেন, বিয়ে চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা কনের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ওরা কোনও কথাই শুনতে চায়নি!

(Feed Source: zeenews.com)