সাত পিটবুল মিলে ছিঁড়ে খেল দাদু ও নাতনিকে, নৃশংসতা দেখে ট্রমায় খোদ উদ্ধারকারীরা, ভয়ঙ্কর ঘটনা

সাত পিটবুল মিলে ছিঁড়ে খেল দাদু ও নাতনিকে, নৃশংসতা দেখে ট্রমায় খোদ উদ্ধারকারীরা, ভয়ঙ্কর ঘটনা

নয়াদিল্লি: পোষ্য সারমেয়র আগ্রাসী আচরণ নিয়ে তটস্থ ছিলেন পাড়া-পড়শিরা। সাত-সাতটি পোষ্য পিটবুলের মালিকের যদিও কোনও হেলদোল ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মর্মান্তিক পরিণতি হল তাঁর। সাত পিটবুল মিলে তাঁকে যেমন ছিঁড়ে খেল, তেমনই রক্ষা পেল না তাঁর একরত্তি নাতনিও। উদ্ধার করতে গিয়ে বীভৎস দৃশ্য দেখে চমকে উঠল খোদ পুলিশ। (US Pit Bull Attack)

আমেরিকার টেনেসি থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। ৫০ বছর বয়সি জেমস অ্যালেকজান্ডার স্মিথের টালোহোমার বাড়িতে সাত-সাতটি পিটবুল ছিল। তাদের আগ্রাসী আচরণে ভয়ভীত হয়ে থাকতেন পাড়া প্রতিবেশিরা। জেমস নিজে যদিও সেসব নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিলেন না। কিন্তু সেই সারমেয়রা যে তাঁর উপরই ঝাঁপিয়ে পড়বে, তাঁর একরত্তি নাতনির যে প্রাণ চলে যাবে, বুঝতে পারেননি তিনি। (Dog Attack)

বুধবার বিকেলে বাড়ি থেকে নিথর দেহ উদ্ধার হয় জেমসের। পুলিশ যে সময় বাড়িতে পৌঁছয়, তখনও সাতটি পিটবুল মিলে জেমসের তিন মাসের নাতনিকে ছিঁড়ে খাচ্ছিল। তাদের পেরিয়ে মৃতদের কাছে পৌঁছনোর উপায় ছিল না। সাতটি পিটবুলকেই তাই গুলি করে পুলিশ। জেমস এবং তাঁর নাতনি, দু’জনকেই মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। 

সাত-সাতটি পিটবুল মিলেই জেমস এবং তাঁর নাতনিকে ছিঁড়ে খেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দফতর থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “অত্যন্ত নৃশংস, ভয়ঙ্কর ঘটনা এটা। এই কঠিন সময়ে ওই পরিবারের জন্য় প্রার্থনা করুন। পাশাপাশি, উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যে দৃশ্য দেখেন, তাঁরা এখনও ট্রমায় রয়েছেন। ওঁদের জন্য প্রার্থনা করুন, যাতে ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেন সকলে।”

জেমসের এক প্রতিবেশী জানান, রাস্তায় এক মহিলাকে প্রথমে চিৎকার করতে শোনেন তিনি। কী হয়েছে, সাহায্য কি না জানতে চাইলে নিজের বাড়িতে ঢুকে যান ওই মহিলা। এর কিছুক্ষণ পরই উদ্ধারকারীরা পৌঁছন ঘটনাস্থলে। ওই প্রতিবেশী জানিয়েছেন, বরাবরই আগ্রাসী ছিল ওই পিটবুলের দল। তাঁর পোষ্য বিড়ালকেও মেরে খেয়ে নেয় তারা। কিন্তু বাড়ির মালিক এবং একরত্তি শিশুর যে এমন অবস্থা হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি। বাড়িতে পোষ্য রাখলে বেঁধে রাখার পরামর্শও দিয়েছেন ওই ব্যক্তি।

এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পিটবুলের দল হামলা করার আগেই জেমস ও তাঁর নাতনির মৃত্যু হয়, না কি পরে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই বাড়িতে আরও সারমেয় ছিল। তাদের আপাতত টালাহোমা অ্যানিম্যাল কন্ট্রোল সেন্টারে রাখা হয়েছে।

(Feed Source: abplive.com)