Chandigarh Court: ‘বিয়ের আসরে কেন এত হাসিখুশি মেয়েটা’? ধর্ষণের মামলায় বেকসুর খালাস অভিযুক্ত!

Chandigarh Court: ‘বিয়ের আসরে কেন এত হাসিখুশি মেয়েটা’? ধর্ষণের মামলায় বেকসুর খালাস অভিযুক্ত!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়ে গেলেন যুবক। আদালত বলল, বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবিতে অভিযুক্তের সঙ্গে নির্যাতিতাকে হাসিখুশি দেখাচ্ছিল এবং সেই অনুষ্ঠানে ২০০ অতিথিও উপস্থিত ছিলেন!

চণ্ডীগড়ের  জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারকের পর্যবেক্ষণ, ‘অভিযুক্ত ইচ্ছার বিরুদ্ধে নির্যাতিতার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি কোনও সম্পর্ক হয়েও থাকে, তাহলে নির্যাতিতা নিজের ইচ্ছাতেই সেই সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন’। রায়ে উল্লেখ, ‘মেয়েটি শিশু বলে প্রমাণ করা যায় না। তাই পছন্দের ব্যক্তির সঙ্গে নিজের ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্ক তৈরি স্বাধীনতা তাঁর ছিল’।

ঘটনার সূত্রপাত বছর দুয়েক আগে। পুলিস সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে ১৪ মে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা বাবা। ওই ব্য়ক্তির দাবি ছিল, ১২ মে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে তাঁর পনেরো বছরের মেয়ে। অভিযুক্ত তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পকসো আইনে মামলা রুজু করে পুলিস। গ্রেফতার করা হয় অভিযু্ক্তকেও।

মামলার শুনানিতে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, ওই যুবককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। নির্যাতিতা ও তাঁর বাবা বিভিন্ন সময়ে পরস্পরবিরোধী কথা বলছে। ফলে তাদের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়। সরকার পক্ষের আইনজীবী পালটা সওয়াল, নির্যাতিতার সাক্ষ্য থেকে স্পষ্ট  যে, অভিযুক্ত তাকে প্রলোভন দেখিয়েছে এবং জোর করে অভিভাবকদের কাছ থেকে নিয়ে গিয়েছে।

সওয়াল-জবাব শেষে আদালতের রায়, ‘নির্যাতিতার বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে সাড়ে ১৬ বছর। এখন ২ বছরের মার্জিন অফ এররের নীতি প্রয়োগ করে তার বয়স ১৮ বছরের বেশি ধরা হচ্ছে। ফলে আমরা যদি অপরাধের তারিখ ১২ মে, ২০২৩ ধরি, তাহলে নির্যাযিতা বয়স তখন ছিল আঠেরো বছরের বেশি’। স্কুল বা পুরসভার সার্টিফিকেট নেই। সে কথা উল্লেখ আদালত জানায়, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে বিয়ের সময় নির্যাতিতা যে নাবালিকা ছিল, তা প্রমাণ করা যায়নি’।

আদালত আরও বক্তব্য, ‘অভিযুক্তের বাড়ি নির্যাতিতার বাড়ি থেকে মাত্র ৫-৬  বাড়ির পর। ফলে বিয়ের পরপরই তার পালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। তা যদি না হয়, তাহলেও বিয়ে ও বউভাতের ছবিতে তাকে খুবই খুশি দেখাচ্ছিল। নির্যাতিতা প্রাপ্তবয়ষ্ক। যদি অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করত অথবা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও যৌন মিলন হত, তবে তার চিৎকার করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কিন্তু সে তা কখনই করেনি। যা থেকে স্পষ্ট, যদি শারীরিক সম্পর্ক হয়ে থাকে, তাহলে তাতে সে সম্মতি দিয়েছিল’।

(Feed Source: zeenews.com)