
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শারীরিক সুখ দিতে অক্ষম স্বামী। সঙ্গমে অপারগ! তাই বিয়ের ৩ দিনের মাথাতেই ডিভোর্স চাইলেন নববধূ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে।
গোরক্ষপুরের এক নববিবাহিতা যুবতী তার বিয়ের মাত্র তিন দিন পরেই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে তার স্বামী বিয়ের পর প্রথম রাতেই স্বীকার করেছে যে তিনি বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য শারীরিকভাবে সক্ষম নন। তার স্বামীর মেডিকেল রিপোর্টও এটা নিশ্চিত করেছে যে তিনি “বাবা হতে পারবেন না”। তাই স্বামীর অক্ষমতার কারণেই ডিভোর্সের আবেদন করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে বিয়ে বাবদ হওয়া সমস্ত খরচের দাবি করেছেন। ফেরত চেয়েছেন বিয়েতে পাওয়া সব উপহারও।
ওই যুবতী তার ডিভোর্স আবেদনে লিখেছেন, “আমি এমন একজন পুরুষের সঙ্গে আমার জীবন কাটাতে পারব না যিনি শারীরিকভাবে অক্ষম। বিয়ের রাতে যখন সে নিজেই আমাকে একথা বলে, তখন আমি প্রথম এই সম্পর্কে জানতে পারি।” সাহজানওয়ারের এক কৃষক পরিবারের একমাত্র ছেলে, ২৫ বছর বয়সী বর জিআইডিএ-তে একজন ইঞ্জিনিয়ার। বেলিয়াপারের আত্মীয়দের মাধ্যমে এই বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল। ২৮ নভেম্বর দম্পতির বিয়ে হয়। পরের দিন হয় বিদায়ি অনুষ্ঠান।
এরপর ১ ডিসেম্বর, যখন কনের বাবা বিয়ের পরের আচার অনুষ্ঠানের জন্য মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান, তখন এই বিষয়টি প্রকাশ পায়। নববিবাহিতা ওই যুবতীকে ফিরিয়ে আনা হয় বাপের বাড়িতে। এরপর ৩ ডিসেম্বর বেলিয়াপারে উভয় পক্ষ বৈঠকে বসে। যেখানে কনের পরিবার বরের পরিবারকে তার অবস্থা গোপন করার বিষয়ে অভিযোগ করে। এমনকি আরও অভিযোগ, এটি তাদের ছেলের দ্বিতীয় বিয়ে। ২ বছর আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। সেই বউও বিয়ের এক মাসের মধ্যেই চলে যায়।
এরপরই ২৫ বছরের ওই যুবকের মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেই রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা যে, ওই যুবক “মেডিক্যালি আনফিট” এবং কোনওদিনও “বাবা হতে পারবেন না”। যদিও বরের বাবা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তবে কনের পরিবার সাহজানওয়া পুলিসের কাছে সমস্ত উপহার এবং নগদ টাকা ফেরত চেয়ে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
