Man kills 3 Daughters: কী অপরাধ ছিল ৩ মেয়ের! বাবার কীর্তিতে হাড়হিম প্রতিবেশীদের

Man kills 3 Daughters: কী অপরাধ ছিল ৩ মেয়ের! বাবার কীর্তিতে হাড়হিম প্রতিবেশীদের

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়ংকর কাণ্ড বিহারের মোজাফফরপুরে। এমন বাবাকে দেখে আংত্কে উঠলেন প্রতিবেশীরা। নিজের ৩ মেয়েকে খুন করে ও ২ ছেলেকে মারার চেষ্টা করে নিজে আত্মঘাতী হলেন অমরনাথ রাম। ভাগ্যক্রমে ২ ছেলে বেঁচে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি ৩ মেয়ের।

মোট ৫ সন্তান অমরনাথের। এদের মধ্যে ৩ কন্যা ও  ২ পুত্র। পুলিস সূত্রে খবর তিন মেয়ে অনুরাধা, শিবানী, রাধিকা এবং ২ ছেলে শিবম ও চন্দন কুমারকে একটি ট্রাঙ্কের উপর তুলে গলায় ফাঁল লাগিয়ে দেন। পাশাপাশি নিজেও গলায় ফাঁস লাগান। এরপর সবাইকে একসঙ্গে ঝাঁপ দিতে বলেন। বাবার কথামতো তিন মেয়ে ঝাঁপ দিলেও তা করেনি ২ ছেলে। ফলে তারা বেঁচে যায়। কিন্তু মেয়েদের সঙ্গে অমরনাথও মারা য়ান।

অমরনাথের ছেলে শিবম পুলিসকে জানিয়েছে, বাড়িতেই ছিলাম। ফোন দেখছিলাম। বাবা বাড়ি এল। তারপর বাথরুমে গেল। এরপর আমাদের গলায় একের পর এক ফাঁস লাগিয়ে দিল। তারপর বলল ঝাঁপ দিতে। আমি ফাঁস আলগা করে ফেলে বেরিয়ে পড়ি।

পুলিসের বক্তব্য, ওই দুই ছেলের চিকিত্সা চলছে। অমরনাথ রামের স্ত্রী মারা যান গত বছর। তার পর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন অমরনাথ। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আর্থিক কষ্টও ছিল অমরনাথের। পাঁচ ছেলেমেয়েকে বড় করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলেন অমরনাথ।

এদিকে, অমরনাথের সম্পর্কে অনেক তথ্য পুলিস দিতে পারলেও ঠিক কী কারণে যে আত্মঘাতী হয়েছে তার কোনও ব্য়াখ্যা দিতে পারেনি। মৃতদেহগুলিকে পোস্টমর্টেমে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে ভরসা এখন অমরনাথের ২ জীবিত সন্তান। তারাই আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে কিছু বলতে পারে। এনিয়ে সাকরা থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে।

মাস খানেক আগেই উত্তরপ্রদেশে এরকমই এক ঘটনা ঘটেছিল। দুই সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী হন মা। মহিলার নাম সঙ্গীতা। তিনি মির্জাপুরের সেমরি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ বছরের ও ১৪ মাসের সন্তানকে মুখ কাপড় গুঁজে খুন করে গলায় দড়ি দেন। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তিনি ওই কাণ্ড করেন। পুলিসের অনুমান মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন সঙ্গীতা।

অন্যদিকে, কর্ণাটকের এক মহিলা তাঁর মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হন। ওই মহিলা ছিলেন একটি হাসপাতালের নার্স। সেই হালপাতালেই টেকনিয়ানের কাজ করতেন তাঁর স্বামী। ছুটি হওয়ার আগেই হাসপাতাল থেকে ফিরে আসেন ওই মহিলা।  ঘরে ফিরে তিনি মেয়েকে খুন করে নিজে আত্মঘাতী হন। বাড়ি ফিরে স্বামী দেখেন দরজায় তালা। প্রতিবেশীদের সাহায্যে তালা ভেঙে স্বামী দেখেন গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। পাশে পড়ে রয়েছে মায়ের নিথর দেহ।

(Feed Source: zeenews.com)