India’s Ghost Fleet: ভূতুড়ে সাবমেরিন! অদৃশ্য থেকে ঘায়েল করবে শত্রুকে! ঘুম উড়েছে জিং পিংয়ের, কাঁপছে পাকিস্তান…

India’s Ghost Fleet: ভূতুড়ে সাবমেরিন! অদৃশ্য থেকে ঘায়েল করবে শত্রুকে! ঘুম উড়েছে জিং পিংয়ের, কাঁপছে পাকিস্তান…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: চিন (China) পাকিস্তানের (Pakistan) নাগাল পেরিয়ে সমুদ্রের গভীরে কিস্তি মাত ভারতের (India)। সমুদ্রগভীরে যে চাল চেলেছে ভারত, তাকে ভারতের এই দুই প্রতিবেশী দেশ কোনও প্রতিহত করতে পারবে না, তার নাগালও পাবেন না। ভারতের নতুন সাবমেরিন শক্তি (India’s submarine fleet)! ভূতুড়ে নৌবহর (Ghost Fleet)! হ্যাঁ, ব্যাপারটা হয়তো প্রায় তাইই। কেননা এটা শত্রুদেশের রাডারকে এড়িয়ে প্রায় অ-দৃশ্য থেকে (invisible to enemy radar) নীরবে তার মারণ অভিযান চালিয়ে যাবে। এটাই এই মুহূর্তে ভারতের অত্যাধুনিক নৌশক্তির (India’s underwater dominance) ছবি! এতে রাতের ঘুম উড়বে চিন-পাকিস্তানের!

৬ অত্যাধুনিক সাবমেরিন

ভারতীয় নৌবাহিনীতে এবার যুক্ত হতে চলেছে ৬টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন। আর সমুদ্রের নীচে ভারতীয় নৌসেনার শক্তি বাড়াতে এবার কোমর বেঁধে নেমেছে মাজাগাঁও ডকইয়ার্ড লিমিটেড। তারা হাত মিলিয়েছে জার্মানির থাইসেন ক্রুপ মেরিন সিস্টেমসের সঙ্গে। এখন লক্ষ্য একটাই আগামী ৪টে মাসের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে কাজ শুরু করে দেওয়া।

অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়াই

জানা গিয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা লেগেছে এই ডিলে। নতুন এইসব সাবমেরিন শুধু ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন নয়। এই সাবমেরিনগুলিতে রয়েছে অত্যাধুনিক এআইপি প্রযুক্তি। মানে, এই সাবমেরিন বাইরের কোনও অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়াই নিশ্চিন্তে টানা কয়েক সপ্তাহ জলের নীচে ডুবে বসে থাকতে পারবে। আর এই কারণেই এই সাবমেরিন তৈরিতে অনেক বেশি খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, মাজাগন ডকইয়ার্ড জার্মানির সংস্থার সঙ্গে দর কষাকষির পরই নাকি ১ লক্ষ ২০ হাজার কোটি থেকে নেমে এই সাবমেরিনের দাম দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার কোটি টাকায়।

চ্যালেঞ্জ নিবি না…

ক্রমাগত নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করছে চিন ও পাকিস্তান। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সেই শক্তির মোকাবিলায় নামতেই হয়েছে ভারতকে। তাই খরচের কথা মাথায় রাখা সম্ভব হয়নি তার। নতুন দিনে শত্রুদেশের সমুদ্রশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গেলে প্রয়োজন এই সাবমেরিন। এটা ভারতের জন্য অপরিহার্য। রণকৌশলের দিক থেকে কোনও ভাবেই পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় ভারত।

২০৩২ সাল

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি সই হলেও প্রথম সাবমেরিন হাতে পেতে অন্তত ২০৩২ সাল হয়ে যাবে। অর্থাৎ, প্রায় ৭ বছর অপেক্ষা করতে হবে ভারতকে। শুরুতে এই সাবমেরিনে ৪৫ শতাংশ স্বদেশি যন্ত্রাংশ ব্যবহৃত হবে। যা পরের দিকে পৌঁছে যাবে ৬০ শতাংশে।

((Feed Source: zeenews.com)