
এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হরমনপ্রীত। লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুকে ১৫ রানে ফিরিয়ে ভারতীয় দলের শুরুটা দারুণভাবে করেন ক্রান্তি গৌর। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে মাত্র ৩১ রানই তুলতে পারে শ্রীলঙ্কা। টপ অর্ডারের একাধিক ব্যাটার শুরুটা করেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন।
ওপেনার ভিষমি গুণারত্নেই সর্বাধিক ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। তাও তাঁর ৩৯ রান আসে ১০০-র রম স্ট্রাইক রেটে। ভারতের হয়ে ক্রান্তি বাদে দীপ্তি শর্মা ও শ্রী চরণী একটি করে উইকেট নেন। তিন তিনজন লঙ্কান ব্যাটার এদিন রান আউট হন। ২০ ওভারে ছয় উইকেটে ১২১ রানেই থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেফালি বর্মাকে দ্বিতীয় ওভারেই নয় রানে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কার ম্যাচে কামব্যাক করার আশা জাগে। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে স্মৃতি ও এদিন তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা জেমাইমা ভারতীয় ইনিংসের হাল ধরেন। পাওয়ার প্লে শেষের আগেই ভারত ৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে। ইতিহাস গড়েন স্মৃতিও। প্রথম ভারতীয় তথা দ্বিতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে চার হাজার রানের গণ্ডি পার করলেন স্মৃতি মান্ধানা। তবে বলের নিরিখে তিনি নিউজ়িল্যান্ডের সুজ়ি বেটসের থেকে কম, ৩৬৭৫ বল খেলে চার হাজার রান পূর্ণ করেন।
এদিন এই বিশেষ মাইলফলক স্পর্শ করতে স্মৃতির প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। তিনি ১০০-র স্ট্রাইক রেটে ২৫ রানে আউট হন। তবে শ্রীলঙ্কাকে কোনও সময়েই ম্যাচে ফেরার আর সুযোগ দেয়নি ভারত। একদিকে যেখানে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন জেমাইমা, সেখানে অপরদিকে অধিনায়ক হরমনপ্রীত তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন। মাত্র ৩৪ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। শেষমেশ ৪৪ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন জেমি। হরমনপ্রীত ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
(Feed Source: abplive.com)
