
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ছাত্রনেতা খুন, সংবাদপত্রের অফিসে আগুন, সংখ্যালঘু যুবককে পুড়িয়ে হত্যা, একের পর এক ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ। সোমবারও খুলনায় এক ছাত্রনেতাকে গুলি করা হয়েছে। এরকম এক পরিস্থিতিতে ভারতীয়দের জন্য ভিসা বন্ধ করে দিল বাংলাদেশ।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দাবি, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সব ধরনের কনস্যুলেট সেবা এবং ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হল। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। সোমাবার হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক নোটিশে এই কথা জানানো হয়েছে। এর কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে তথ্যভিজ্ঞ মহলের মতে ভারতের উপরে চাপ সৃষ্টি করতেই ইউনূস সরকারের এই পদক্ষেপ।
সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলির সামনে তাণ্ডব করে উন্মত্ত জনতা। তার জেরেই রাজশাহী ও খুলনাতে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় চট্টগ্রামের ভিসা কেন্দ্রও। কারণ দেশের একাধিক জায়গায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। তারই কি পাল্টা পদক্ষেপ করল ঢাকা?
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের দাবি, গত ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর একটি সংগঠনের একদল লোক বিক্ষোভ দেখায়। তারা বাংলাদেশিদের ভারত ত্যাগের হুমকি দেয়। ওই ঘটনার পর বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হাইকমিশনের কূটনৈতিক এলাকা অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে অবস্থিত। সেখানে অপ্রকাশিত বা উগ্র গোষ্ঠী প্রবেশ করা সম্ভব নয়। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, এই ধরনের ঘটনা প্রত্যাশিত নয়।
সম্প্রতি রাজশাহীতে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় একদল মানুষ। তাদের চরম হুঁশিয়ারি, ‘অন্যায়’ বন্ধ করতে হাতে অস্ত্র তুলে নিতেও দ্বিধা করবেন না। পাশাপাশি, চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, সেখানে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রটির কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামে সব ধরণের ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
গত সপ্তাহে পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির বিদেশ শাখার চেয়ারম্যান শশী তারুর বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি ভারতের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
(Feed Source: zeenews.com)
