New Airlines: আরও ২ বিমান সংস্থাকে ছাড়পত্র কেন্দ্রের! নতুন বছরেই….ইন্ডিগো নির্ভরতা কি কমবে?

New Airlines: আরও ২ বিমান সংস্থাকে ছাড়পত্র কেন্দ্রের! নতুন বছরেই….ইন্ডিগো নির্ভরতা কি কমবে?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইন্ডিগো বিপর্যয়ের পর বড় পদক্ষেপ। দেশে নতুন বিমান সংস্থাকে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র। নতুন বছরেই আকাশের ডানা মেলতে পারে  আল হিন্দ এয়ার ও  ফ্লাইএক্সপ্রেস। দেশের বিমান পরিষেবায় এবার ইন্ডিগো নির্ভরতা কি কমবে? জল্পনা তুঙ্গে।

উত্তরপ্রদেশের  শঙ্খ এয়ারকে আগে ছাড়পত্র দিয়ে রেখেছিল কেন্দ্র। এবার তালিকায় আরও দুই বিমান সংস্থা। এদিন এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডু জানান, ‘গত এক সপ্তাহে ভারতীয় আকাশে ডানা মেলার অপেক্ষায় থাকা নতুন এয়ারলাইন—শঙ্খ এয়ার, আল হিন্দ এয়ার এবং ফ্লাইএক্সপ্রেস-এর টিমের সাথে দেখা করতে পেরে আনন্দিত। শঙ্খ এয়ার আগেই মন্ত্রক থেকে এনওসি পেয়েছে, আর আল হিন্দ এয়ার ও ফ্লাইএক্সপ্রেস এই সপ্তাহে পেল’।

আল হিন্দ এয়ার:  কেরালার ‘আলহিন্দ গ্রুপ’ দ্বারা পরিচালিত। ওয়েবসাইটের তথ্য, ঞ্চলিক কমিউটার এয়ারলাইন হিসেবে যাত্রা শুরু করতে চলেছে আল হিন্দ এয়ার। প্রথমে অভ্যন্তরীণ পরিষেবা শুরু হলেও, পরে আন্তর্জাতিক পরিষেবা দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। প্রধান কেন্দ্র কোচি।

ফ্লাইএক্সপ্রেস: এটিও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করবে।

এখন ভারতের আকাশে ৯টি উড়ান সংস্থার বিমান ওড়ে। ফ্লাই বিগ  নামে আর একটি বিমান সংস্থার পরিষেবা আপাতত স্থগিত। তবে আধিপত্য মূলত দুটি সংস্থারই।  ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া গোষ্ঠী। এর মধ্যে আবার শুধু ইন্ডিগোর দখলেই বাজারের ৬৫ শতাংশ। বস্তুত, ইন্ডিগোর পরিষেবা তুলনায় সস্তাও।  কিন্তু চলতি মাসের শুরুতে ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইন্ডিগো।

দেশজুড়ে বাতিল হয়ে যায় একের পর এক বিমান। চরমে দুর্ভোগে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, বিমানবন্দরে আটকে পড়েন বহু মানুষ। । কেন এমন পরিস্থিতি? দায় কার? স্বাধীন বিচারবিভাগীয় তদন্তে দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়েক করা হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে।  যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য় ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি   বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত একটি ডিভিশন বেঞ্চ।

দিল্লি হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ‘আমরা আশা করি অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক, ডিজিসিএ (DGCA) এবং ইন্ডিগো দ্রুততম সময়ে বিমানবন্দরগুলিতে আটকে পড়া যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেবে’। কেন্দ্রকে আদালতের প্রশ্ন, ‘যদি একটি সংকট তৈরি হয়, তাহলে অন্য বিমান সংস্থাগুলিকে সুবিধা নিতে দেওয়া হবে কেন? ভাড়া ৩৫-৪০ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে কীভাবে’? আদালত বলেছে, ‘আপনারা পরিস্থিতিটিকে আরও খারাপ হতে দিয়েছেন’।

(Feed Source: zeenews.com)