কেউ পাত্তা দেয় না? আচরণ ও চরিত্র দিয়ে সম্মান অর্জন করতে চান? আয়ত্ত করুন এই ১০টি ‘গোপন’ কৌশল

কেউ পাত্তা দেয় না? আচরণ ও চরিত্র দিয়ে সম্মান অর্জন করতে চান? আয়ত্ত করুন এই ১০টি ‘গোপন’ কৌশল

How to get respect| সম্মান, আকর্ষণ ও বিশ্বাস অর্জনের ১০টি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল এখানে তুলে ধরা হয়েছে, যা ব্যক্তিত্ব ও আচরণের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

সম্মান, আকর্ষণ, বিশ্বাস—এগুলো টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এগুলো অর্জন করতে হয় ব্যক্তিত্ব আর আচরণের মাধ্যমে। আপনি যদি মানুষের কাছে সম্মানিত হতে চান, তবে এই ১০টি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল কাজে লাগান।

কিছু মানুষ চিনি যেমন—তারা কাউকে ডাকে না, তবু সবাই আপনাআপনি তাদের দিকে টানে। আবার কারও চারপাশে মানুষ জড়ো হয় পিঁপড়ের মতো। টাকা দিয়ে নয়, আচরণ আর চরিত্র দিয়েই এই আকর্ষণ, বিশ্বাস ও সম্মান তৈরি হয়। তারই রহস্যগুলো রইল এখানে।

১. অন্যের এনার্জির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া কিছু মানুষ জল-এর মতো—যার সঙ্গে মেশে, তার মতো হয়ে যায়। এই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে, আর সেই বিশ্বাস থেকেই আসে সম্মান ও অনুসরণ।

২. উত্তর না দিয়ে উত্তর খুঁজে নিতে সাহায্য করা মানুষ তাদেরই অনুসরণ করে, যাঁরা তাদের বুদ্ধিমান মনে করান—যাঁরা তুচ্ছ করেন না। তাই সরাসরি সমাধান চাপিয়ে না দিয়ে, মানুষকে নিজে ভাবার সুযোগ দিন। এতে সম্মান বাড়ে।

৪. নীরবতাকে কথা বলতে দেওয়া যাঁরা মন দিয়ে শোনেন এবং কথা শেষ হওয়ার পর একটু থামেন, তাঁদের প্রতি আমাদের অবচেতনে সম্মান জন্মায়। এই নীরবতা কথার ওজন বাড়ায়।

৫. অন্যদেরও আলোয় আনা নিজেকে সামনে আনার লোভ মানুষকে ছোট করে দেয়। কিন্তু বড় মনের মানুষ অন্যদের কৃতিত্বও স্বীকার করেন। তাঁরা কিছু না বলেই সম্মান ও স্বীকৃতি পেয়ে যান।

৬. মানবিক হওয়া সব কিছু কাজ আর টাকার হিসাবে মাপলে চলে না। হৃদয় আর মস্তিষ্ক—দুটো দিয়েই ভাবতে জানেন যাঁরা, তাঁদের প্রতিই মানুষের সম্মান বেশি হয়। এতে বিশ্বাসযোগ্যতাও বাড়ে।

৭. একটু অনিশ্চিত থাকা সব সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকা, সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লাই করা—এতে আগ্রহ কমে যায়। তাই সব সময় ধরা না দিয়ে একটু অপ্রত্যাশিত থাকুন। আগ্রহ বাঁচিয়ে রাখে।

৮. কথাবার্তার চূড়ায় থামতে শেখা আড্ডা বা আলোচনা যখন ভালো চলছে, তখনই থামতে জানুন। এতে মানুষ মনে করে—আর একটু হলে ভাল হত। এই অসম্পূর্ণতাই স্মরণীয় করে তোলে।

৯. অস্বস্তিকর মুহূর্ত সামলানো সব সময় কথা বলা মানেই শক্তিশালী হওয়া নয়। কখনও চুপ করে থাকা আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। এতে মানুষ আপনাকে বেশি পছন্দ করে।

১০. ভিন্ন মতকে উৎসাহ দেওয়া সবাই যদি শুধু ‘হ্যাঁ’ বলে, তাহলে সম্মান আসে না। যাঁরা সমালোচনা করেন বা ভিন্ন মত দেন, তাঁদের কথা শুনুন। এতে বোঝায়—আপনি নিজের জায়গায় নিরাপদ, আর সেটাই বিশ্বাস গড়ে তোলে।

(Feed Source: news18.com)