India Pakistan Arm Conflict: নতুন বছরে ফের সংঘর্ষে জড়াতে পারে ভারত-পাকিস্তান, হুঁশিয়ারি মার্কিন বিশেষজ্ঞদের

India Pakistan Arm Conflict: নতুন বছরে ফের সংঘর্ষে জড়াতে পারে ভারত-পাকিস্তান, হুঁশিয়ারি মার্কিন বিশেষজ্ঞদের

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ঘরের পাশেই দুষ্ট প্রতিবেশী। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের সঙ্গে একের পর এক সংঘর্ষে জড়িয়েছে পাকিস্তান। কখনও কখনও তা যুদ্ধ পর্যন্ত গড়িয়েছে। জঙ্গি হানা, জঙ্গিদের মদত-সহ বিভিন্নভাবে ভারতকে ব্যতিব্যস্ত রাখার চেষ্টা করে পাকিস্তানের সরকার। শেষতম সংযোজন পহেলগাম জঙ্গি হানা। এনিয়ে এবার মারাত্মক কথা শোনাল আমেরিকা।

গত বছর এপ্রিলে পহেলগাম জঙ্গি হানায় মৃত্যু হয়েছিল ২৬ নীরীহ পর্যটকের। ওই ঘটনার পরই অপারেশন সিঁদুর চালিয়ে পাকিস্তানে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। এরকম এক পরিস্থিতিতে আমেরিকার এক থিঙ্কট্যাঙ্কের বক্তব্য, ২০২৬ সালে ফের সংঘর্ষে জড়াতে পারে ভারত ও পাকিস্তান। কারণ জঙ্গি কার্যকলাপ।

উল্লেখ্য়, ওই থিঙ্কট্যাঙ্কে রয়েছেন আমেরিকার নামী কিছু পলিসি বিশেষজ্ঞ। দ্যা কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশন(CFR) এর দাবি, দুদেশের মধ্যে সংঘর্ষ মাঝারি আকার নিতে পারে। তার প্রভাব আমেরিকার উপরেও পড়বে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন চায় এই সংঘাত বন্ধ হোক। পাশাপাশি মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন আফগানিস্তানের সঙ্গেও পাকিস্তানের লড়াই হতে পারে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে ওয়াশিংটন এই সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করেছিল। তবে ভারত বরাবরই কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। দিল্লির মতে, চার দিনের এই সংঘাত সরাসরি দুই দেশের সামরিক আলোচনার মাধ্যমেই মিটেছে।

নয়া দিল্লির অবস্থান হলো—ভারতের পাল্টা আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পর পাকিস্তানের ‘ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস’ (DGMO) ভারতের ডিজিওএম-কে কল করেন। এরপর উভয় পক্ষই ১০ মে থেকে স্থল, আকাশ ও নৌপথে সব ধরনের গোলাগুলি এবং সামরিক তৎপরতা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়।

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের সঙ্গেও পাকিস্তানের ভালো সম্পর্ক নেই। এবছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত শুরু হয়। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল যখন পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP)-এর নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদকে খতম করার লক্ষ্যে কাবুলে বিমান হামলা চালায় পাক বিমান বাহিনী। আফগানিস্তান এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়, যার ফলে সংঘাত আরও বেড়ে যায়।

কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (CFR)-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সশস্ত্র যুদ্ধ হওয়ার একটি ‘মাঝারি ধরনের সম্ভাবনা’ রয়েছে। এই যুদ্ধের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে থাকবে সীমান্ত জুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান হামলা।

(Feed Source: zeenews.com)