Cigarettes Price Hike massive: পাপের শাস্তি! যে সিগারেট যত লম্বা, দাম বাড়বে লাফ দিয়ে, ১ ফেব্রুয়ারিই গল্প শেষ… এবার তো ছাড়ুন…

Cigarettes Price Hike massive: পাপের শাস্তি! যে সিগারেট যত লম্বা, দাম বাড়বে লাফ দিয়ে, ১ ফেব্রুয়ারিই গল্প শেষ… এবার তো ছাড়ুন…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নতুন বছরের শুরুতেই দুঃসংবাদ ধূমপায়ীদের জন্য। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশে লাফিয়ে বাড়তে চলেছে সিগারেট, বিড়ি, পান মশলাসহ সমস্ত তামাকজাত পণ্যের দাম। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কর কাঠামো এবং অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক জারির ফলেই এই মূল্যবৃদ্ধি। এই ঘোষণার প্রভাব সরাসরি পড়েছে শেয়ার বাজারেও; বৃহস্পতিবার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থা আইটিসি (ITC)-র শেয়ারের দর প্রায় ১০ শতাংশ পড়ে গিয়েছে। এতদিন সিন গুডস অর্থাৎ পাপপণ্য যেমন সিগারেট, বিড়ি সহ তামাকজাত নেশার দ্রব্যের উপর যে কমপেনসেশন সেস বসত, সেটি তুলে নেওয়া হবে। তার পরিবর্তে নতুন কর ধার্য হবে। গত ৩১ ডিসেম্বর কেন্দ্রের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সিগারেট, পান মশলা এবং অন্যান্য তামাকজাত নেশার দ্রব্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি চালু হবে। বিড়ির ক্ষেত্রে তা ১৮ শতাংশ।

দৈর্ঘ্য মেপে বাড়বে দাম: লম্বা সিগারেটে করের বোঝা বেশি

নতুন নিয়মে সিগারেটের দাম বাড়বে মূলত তার দৈর্ঘ্যের ওপর ভিত্তি করে। ২০১৭ সালে জিএসটি (GST) চালুর পর তামাকজাত পণ্যের কর ব্যবস্থায় এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ১,০০০টি স্টিকের ওপর আবগারি শুল্ক ২,০৫০ টাকা থেকে ৮,৫০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে।

এক নজরে নতুন করের হার (প্রতি স্টিক):

৬৫ মিমি পর্যন্ত (নন-ফিল্টার): আনুমানিক ২.০৫ টাকা।

৬৫ মিমি পর্যন্ত (ফিল্টার): আনুমানিক ২.১০ টাকা।

মাঝারি (৬৫-৭০ মিমি): ৩.৬০ টাকা থেকে ৪ টাকা।

কিং সাইজ/লম্বা (৭০-৭৫ মিমি): আনুমানিক ৫.৪০ টাকা।

এর ফলে গোল্ড ফ্লেক প্রিমিয়াম, ক্লাসিক, মার্লবোরো, নেভি কাট বা আইস বার্স্টের মতো প্রিমিয়াম ও লম্বা সিগারেটের দাম এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়বে। তবে ছোট ও নন-ফিল্টার সিগারেটের দাম তুলনামূলক কম বাড়তে পারে।

কর কাঠামোয় বড় রদবদল

কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তামাকজাত পণ্যের ওপর থেকে পুরনো ‘জিএসটি কম্পেনসেশন সেস’ তুলে নেওয়া হচ্ছে। তার পরিবর্তে:

সিগারেট ও পান মশলার ওপর ৪০% জিএসটি কার্যকর হবে।

বিড়ির ক্ষেত্রে জিএসটির হার হবে ১৮%।

এর সাথে যুক্ত হবে নতুন হেলথ অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি সেস এবং অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক।

সব মিলিয়ে খুচরা মূল্যের প্রায় ৫৩ শতাংশই কর হিসেবে যাবে সরকারের ঘরে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরামর্শ অনুযায়ী এই হার ৭৫ শতাংশ হওয়া উচিত।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে পান মশলা, গুটখা এবং এই ধরনের পণ্য তৈরির কারখানায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র। ওই ফুটেজ অন্তত ২৪ মাস সংরক্ষণ করে রাখতে হবে উৎপাদনকারী সংস্থাকে। মূলত কর ফাঁকি রোধে এই পদক্ষেপ অর্থমন্ত্রকের। কঠোর নজরদারি ও পাচারের আশঙ্কা

কর ফাঁকি রুখতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পান মশলা ও গুটখা কারখানায় সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করেছে অর্থ মন্ত্রক। এই ফুটেজ অন্তত ২৪ মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে, ‘দ্য টোব্যাকো ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া’ উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, দেশে বর্তমানে প্রতি তিনটি সিগারেটের মধ্যে একটি বেআইনিভাবে পাচার হয়ে আসা। করের হার বৃদ্ধিতে এই চোরাচালান আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংস্থাগুলি এখন ১ ফেব্রুয়ারির আগে তাদের উৎপাদন ও প্যাকেজিং ব্যবস্থায় বদল আনতে ব্যস্ত।

(Feed Source: zeenews.com)