)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: জল্পনা চলছিলই। জানুয়ারিতেই সংসদের বাজেট অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম পর্ব শুরু হবে ২৮ জানুয়ারি। চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় পর্ব ৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
আগে সংসদের সংসদে বাজেট পেশ হত ফেব্রুয়ারির শেষে। কিন্তু মোদী জমানা সেই রীতি বদলে গিয়েছে। ২০১৭ সালে থেকে ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হচ্ছে। কিন্তু এবছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়েছে। রবিবার হলেও সেদিনও অধিবেশ বসবে সংসদে। বস্তুত, বাজেটও পেশ করা হবে বলেই খবর। এর আগে ২০১২ এবং ২০২০ সালে রবিবার সংসদে অধিবেশন বসেছিল।
On the recommendation of the Govt of India, Hon’ble President of India, Smt. Droupadi Murmu ji has approved the summoning of both the Houses of Parliament for the Budget Session 2026.
The Session will commence on 28 January 2026 and continue till 2 April 2026.The first phase… pic.twitter.com/FxGYCL7keq
— Kiren Rijiju (@KirenRijiju) January 9, 2026
জানা গিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি রীতিমাফিক সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অধিবেশন বসবে ৩০ জানুয়ারি। যেদিন অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ হবার কথা। ২৯ জানুয়ারি এবং ৩১ জানুয়ারি অধিবেশন নেই। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও কেন্দ্রীয় বাজেটের উপর ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের পর মুলতুবি হয়ে যাবে অধিবেশন। দ্বিতীয় পর্ব অধিবেশন শুরু হবে ৯ মার্চ। শেষ হবে ২ এপ্রিল।
এদিকে বাজেটে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রক ব্যবসা ও শিল্প মহলের কাছ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর কাঠামোর পরিবর্তন, করের হার যৌক্তিকীকরণ এবং নিয়মকানুন সহজ করার বিষয়ে প্রস্তাব আহ্বান করেছে।
কর সংক্রান্ত সংস্কারের কথা বিবেচনা করলে গত দুটি বাজেট ছিল বেশ ব্যতিক্রমী। বিশেষ করে গত বাজেটে নতুন কর কাঠামোর (New Tax Regime) অধীনে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ১২ লক্ষ টাকা করা হয়েছিল—যা সম্ভবত কয়েক দশকের মধ্যে করদাতাদের জন্য অন্যতম বড় স্বস্তি। এর ফলে নতুন ব্যবস্থায় মৌলিক ছাড়ের সীমাও বেড়ে ৪ লক্ষ টাকা হয়েছে। তার আগে ২০২৪ সালের বাজেটে (এনডিএ সরকার তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর জুলাই মাসের বাজেট) মূলধনী লাভ বা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স সংক্রান্ত কিছু বড় পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে নতুন কর কাঠামোর অধীনে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য কিছু ঐতিহাসিক পরিবর্তন ছিল: ধারা ৮৭এ (Section 87A)-এর অধীনে রিবেট বা ছাড়ের পর ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে করের হার কমিয়ে সংশোধিত কর ধাপ বা স্ল্যাব। বেতনভোগী করদাতাদের জন্য ৭৫,০০০ টাকা স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন। ফেসলেস বা সরাসরি সংযোগহীন ব্যবস্থায় কর জমা দেওয়া এবং রিফান্ড প্রক্রিয়া সহজতর করা।
(Feed Source: zeenews.com)
