Delhi Murder: নাম বলতেই মাথায় গুলি! দিনেদুপুরে দিল্লির রাস্তায় খুন মহিলা, স্বামীও..

Delhi Murder: নাম বলতেই মাথায় গুলি! দিনেদুপুরে দিল্লির রাস্তায় খুন মহিলা, স্বামীও..

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: স্বামীর মতোই পরিণতি স্ত্রীরও! দিল্লিতে খুব কাছ থেকে গুলি করে খুন বছর চুয়াল্লিশের মহিলাকে। স্বামীকে খুনের মামলা প্রধান সাক্ষী ছিলেন ওই তিনি। দুটি ঘটনার মধ্যে কী যোগসূত্র রয়েছে, খতিয়ে দেখছে পুলিস।

পুলিস সূত্রে খবর, মৃতের নাম রচনা যাদব। দিল্লির শালিমার বাগ এলাকার থাকতেন তিনি। এলাকার  রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (RWA) সভাপতি ছিলেন। ঘড়িতে তখন প্রায় ১১টা। গতকাল শনিবার সকালে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে দেখা করে ফিরছিলেন। কখন তাঁর পথ আটকায় দুই অভিযুক্ত। একজন নাম জিজ্ঞেস করেন। পরিচয় দেওয়ামাত্রই ওই মহিলার মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে চম্পট দেয় আততায়ীরা। গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে রাস্তার সিসিটিভি ক্য়ামেরায়। দেখা গিয়েছে অভিযুক্তদেরও।

এদিকে ২০২৩ সালে খুন হন রচনার স্বামী স্বামী বিজেন্দ্র যাদবও। সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন এখন জেলে। মূল অভিযুক্ত ভারত যাদব ফেরার। মামলাটি এখনও চলছে। মূল সাক্ষী ছিলেন রচনা। তদন্তকারীদের মতে, তাঁকে খুনের ফলে স্বামীর খুনের মামলাটি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। প্রাথমিক তদন্ত অনুমান, রচনার উপর নজর রাখছিল অভিযুক্ত।

রচনার দুই মেয়ে। বড় মেয়ে। বড় মেয়ে কণিকার অভিযোগ, ‘আমার বাবার খুনের মামলার কয়েকজন আসামি তিহাড় জেলে। তা সত্ত্বেও ওরা এমন অপরাধের পরিকল্পনা করেছে। ওদের ভয় ছিল যে, মায়ের বয়ানের ভিত্তিতেই দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবে। সেইজন্য মা-কে সরিয়ে দিল। ২০২৩ সালে বাবা খুন হয়। সেই মামলা এখন আদালতে বিচারাধীন’।

দিন কয়েক আগেও হাড়হিম খুনের সাক্ষী ছিল রাজধানী দিল্লি।  দক্ষিণ দিল্লির আয়া নগরের প্রকাশ্য রাস্তায় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান বছর বাষট্টির এক ব্যক্তি। নাম, রতন লোহিয়া। পুলিসের তদন্তে জানা গিয়েছে, একটা-দুটো নয়,  শরীর থেকে মোট ৬৯টি গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিস সূত্রে খবর,একটি গাড়িতে থাকা দুষ্কৃতীরা রতনকে গুলি করে। এই হত্যাকাণ্ডটি কনট্র্যাক্ট খুন হতে পারে বলে পুলিস সন্দেহ করছে। সূত্রের খবর, ভারতের বাইরে থাকা কিছু গ্যাংস্টারকে রতন লোহিয়াকে খুন করার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিল। দিল্লি পুলিস জানায়, ৩০ নভেম্বর ভোরে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে কয়েকজন লোক রতন লোহিয়াকে ঘিরে ধরে এবং গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিস সেখানে পৌঁছে খালি কার্তুজ ও তিনটি তাজা গুলি উদ্ধার করে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল প্রায় ৬টার দিকে তিনজন দুষ্কৃতি আয়া নগরের সানডে মার্কেটের কাছে একটি কালো রঙের নিসান ম্যাগনাইট গাড়ির ভেতরে বসে রতনের জন্য অপেক্ষা করছিল। তদন্তে দেখা গিয়েছে, গাড়িটির নম্বর প্লেট ইচ্ছাকৃতভাবে খুলে ফেলা হয়েছিল।

(Feed Source: zeenews.com)