ট্রাম্পের বিষণ্ণ মুখের ছবি, নীচে লেখা, ‘ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’, তোলপাড় সোশালে

ট্রাম্পের বিষণ্ণ মুখের ছবি, নীচে লেখা, ‘ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’, তোলপাড় সোশালে
ওয়াশিংটন ডিসি : ‘ভেনিজুয়েলা চালাবে তাঁর সরকারই। যত দিন পর্যন্ত না সব কিছু ঠিক হয়ে যাচ্ছে, সঠিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা যায়, তত দিন পর্যন্ত আমেরিকাই ভেনিজুয়েলা চালাবে।’ দিনকয়েক আগে ভোররাতে রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আমেরিকা বন্দি করে নিয়ে যাওয়ার পরেই এই ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার Truth Social-এ একটি রহস্যময় পোস্ট করে অনলাইনে তোলপাড় সৃষ্টি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যার অর্থ খুঁজে বের করার জন্য একইভাবে তৎপর হয়ে উঠেছেন তাঁর সমর্থক এবং সমালোচকরা।

পোস্টটিতে কেবল একটি ছবি দেওয়া রয়েছে। যার নীচে উল্লেখ করা রয়েছে, ‘ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট।’ সেখানে তাঁর বিষণ্ণ মুখের ছবি দেওয়া। অন্য কোনও অতিরিক্ত লেখা, ব্যাখ্যা বা প্রেক্ষাপট দেওয়া হয়নি। যার ফলে পর্যবেক্ষকরা এর অর্থ বিভিন্ন উপায়ে ব্যাখ্যা করতে শুরু করেছেন। এর আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভেনিজুয়েলা সত্যিকারেই ভাল কাজ করছে। তাদের নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সত্যিকারে ভাল কাজ করছি এবং আমরা দেখছি কীভাবে এটা কাজ করে।”

মাদুরো বন্দি হওয়ার পর ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করছেন ডেলসি রডরিগে। তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “উনি (ডেলসি রডরিগে) খুব ভাল। উনি আমাদের জিজ্ঞাসা করেছেন আমরা কি ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল নিতে পারি এবং আমি বলেছি, হ্যাঁ। যার মূল্য ৪.২ বিলিয়ন ডলার এবং সেই তেল আমেরিকার পথে রওনা দিয়েছে।” এরপর স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার, প্রেসিডেন্ট মার্কিন ট্রেজারি অ্যাকাউন্টে থাকা ভেনিজুয়েলার তেল রাজস্বকে আইনি সংযুক্তি বা বিচার-ব্যবস্থায় বাজেয়াপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করেছেন। উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপ মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া। যার পরেই সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ঘোষণা।

শনিবার আবার ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, মার্কিন পদক্ষেপের ফলে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরচারী শাসক নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন, যা ওয়াশিংটন এবং কারাকাসের সম্পর্কের উপর “ইতিহাসে একটি বড় কলঙ্ক হিসেবে লেখা থাকবে।” রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেলে সম্প্রচারিত হওয়া সেই ভাষণে রডরিগে পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, এক্সকিউটিভ শাখা “অপরাধমূলক আগ্রাসনের নিন্দা করা বন্ধ করবে না”। যার পরিণতিতে মাদুরোকে আটক করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে নিউ ইয়র্কে আটক রয়েছেন।

(Feed Source: abplive.com)