Knowledge Story: খেলনার শহরে পুজো পায় কুকুর, রয়েছে মন্দিরও! দেশের কোথায় হয় এমন? জানুন দারুণ এক লোককাহিনি

Knowledge Story: খেলনার শহরে পুজো পায় কুকুর, রয়েছে মন্দিরও! দেশের কোথায় হয় এমন? জানুন দারুণ এক লোককাহিনি

Knowledge Story: স্থানীয় গ্রামবাসী এবং প্রবীণদের মতে, এই গল্পটি কয়েকশো বছরের পুরনো বলে মনে করা হয়। বলা হয় যে গ্রামে বসবাসকারী দুটি কুকুর হঠাৎ মারা যায়। তারপর? শুনলে চমকে যাবেন…

প্রতীকী ছবি

কলকাতা: কর্নাটকের রামনগর জেলা চান্নাপত্তনার রঙিন কাঠের খেলনার জন্য পরিচিত। কিন্তু এই জেলার একটি ছোট গ্রাম আগ্রাহারা ভালগেরাহাল্লি তার অনন্য বিশ্বাস এবং মন্দিরের কারণে খবরে থাকে।

এখানে দুটি কুকুরের নামে নামকরণ করা একটি মন্দিরে পূজা হয়। স্থানীয় গ্রামবাসী এবং প্রবীণদের মতে, এই গল্পটি কয়েকশো বছরের পুরনো বলে মনে করা হয়। বলা হয় যে গ্রামে বসবাসকারী দুটি কুকুর হঠাৎ মারা যায়।

গ্রামবাসীরা তাকে পূর্ণ শ্রদ্ধার সঙ্গে সমাহিত করে এবং তার কবরে একটি পাথর স্থাপন করে। এরপর, গ্রামের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে শুরু করে। ফসল ফলতে শুরু করে, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং গ্রামে শান্তি ও সুখ বৃদ্ধি পায়। গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, এই দুটি কুকুর এখন গ্রামকে রক্ষা করছে।

কুকুরের মন্দির
এরপর, গ্রামবাসীরা মিলে সেখানে একটি ছোট মন্দির তৈরি করে, যেখানে কুকুরের দুটি পাথরের মূর্তি স্থাপন করা হয়। আজ, এই মন্দিরটি আর কেবল গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আশপাশের এলাকার মানুষও এখানে আসেন। গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করেন যে, এই মন্দির তাদের রোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। মন্দিরে প্রতিদিন ধূপ জ্বালানো হয় এবং বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রার্থনা করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, প্রতি বছর এখানে একটি বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রচুর লোক সমাগম হয়। মেলায় পূজা, প্রসাদ বিতরণ এবং লোক ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই অনুষ্ঠান গ্রামের সামাজিক ঐক্যকেও শক্তিশালী করে।