Trump’s 200% Tariffs: এবার একেবারে একলাফে ২০০% শুল্ক! কেন এই সংঘাত? কী কী জিনিসের দাম বাড়ছে?

Trump’s 200% Tariffs: এবার একেবারে একলাফে ২০০% শুল্ক! কেন এই সংঘাত? কী কী জিনিসের দাম বাড়ছে?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বলছেন, তিনি রীতিমতো ক্ষুব্ধ, কেননা, ওয়াশিংটনকে রীতিমতো উপহাস করেছে ফ্রান্স (France)। তাছাড়াও গ্রিনল্যান্ড (Greenland) সমস্যা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প জানান, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর (French President Emmanuel Macron) সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। সে কথাও তাঁর তেমন ভালো লাগেনি। তাই সব মিলিয়েই ট্রাম্প যথেষ্ট রেগে। আর ওই রেগে গিয়েই ফ্রান্সের উপর শুল্কবাণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President)।

ট্রাম্পের কোপে ফ্রান্স

ট্রাম্পের কোপে ছবির দেশ কবিতার দেশ ফ্রান্স! এবার ফ্রান্সের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিল আমেরিকা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রীতিমতো খেপে গিয়েছেন ম্যাক্রোঁর উপর। ফ্রান্স থেকে আমেরিকায় যে ওয়াইন, শ্যাম্পেন ঢোকে, এবার তার উপর শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, গাজা নিয়ে তৈরি Board of Peace-এ যোগ দিতে অনিচ্ছুক ফরাসি প্রেসিডেন্টের পাঠানো ব্যক্তিগত মেসেজও ফাঁস করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ফ্রান্স

ভেনেজুয়েলা-পর্বের পরে সম্প্রতি যেভাবে গ্রিনল্যান্ড দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে আমেরিকা, তা মোটেই ভালো ভাবে নেয়নি ইউরোপ। মেনে নেয়নি ফ্রান্সও। কেন আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড চায়, তারা তার সপক্ষে যুক্তি খাড়া করছে। কিন্তু সম্প্রতি সেই যুক্তি খাড়া করা নিয়ে আমেরিকার দিকে বিদ্রুপ ছুড়ে দেয় ফ্রান্স। আর তার পরেই ফ্রান্সের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য, ম্যাক্রোঁর ওয়াইন এবং শ্যাম্পেনের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব আমি।’ ট্রাম্প যোগ করেন, এটা করলেই ফ্রান্সও Board of Peace-এ যুক্ত হবে। তবে ওরা ওতে যোগ না দিলেও কিছু এসে যাবে না!

শান্তিতে ‘না’? কেন?

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাকে পুনরায় গড়ে তুলতে যে শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেন ট্রাম্প, সেই বোর্ডের সদস্য হতে বহু দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। অনেকেই অবশ্য সেই বোর্ডে যোগ দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্টও সেই তালিকায়। তা আকারে-ইঙ্গিতে তিনি বুঝিয়েও দিয়েছেন। আর তার পরেই আসে ট্রাম্পের এই শুল্ক-হুঁশিয়ারি। কেন ট্রাম্পের গাজা ‘Peace of Board’-এ যোগ দিতে অনিচ্ছুক ফ্রান্স? কারণ বোর্ডের কার্যকলাপ শুধুমাত্র গাজার মধ্যেই সীমিত নয়। সেই আবহেই ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড-পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি কটাক্ষ ছোড়ে ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রক।

মেসেজ-কেলেঙ্কারি?

শুধু তাই নয়, ম্যাক্রোঁর পাঠানো মেসেজও তিনি সর্বসমক্ষে নিয়ে আসেন! যেটাকে কেউই ভালো চোখে দেখছেন না। যা গোপনীয়, তা গোপন থাকাই ভালো। আর ফ্রান্সও যে এটা ভালো ভাবে নেয়নি, তার প্রমাণ, সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিক্রিয়া দেখায়। ম্যাক্রোঁর পাঠানো বলে দাবি করে যে মেসেজ সোশ্য়াল মিডিয়ায় ট্রাম্প তুলে ধরেছেন, তাতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের তরফে লেখা হয়েছে– বন্ধু, সিরিয়া নিয়ে একমত আমরা। ইরানেও অনেক ভাল কিছু করার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আপনি কী করছেন, তা বুঝতে পারছি না আমি!

ট্রাম্পকে পরামর্শ ম্যাক্রোঁর

শুধু তাই নয়, এখানেই থেমে না গিয়ে এই বিশ্ব-পরিস্থিতিতে কী করা উচিত তাঁদের, ট্রাম্পকে সেই নিয়ে পরামর্শও দিয়েছেন ম্যাক্রোঁ। তিনি লিখেছেন, ভাল কিছু করার চেষ্টা করি চলুন: ১) প্যারিসে জি-৭ বৈঠকের আয়োজন করতে পারি আমি। ইউক্রেন, ডেনমার্ক, সিরিয়া রাশিয়ার প্রতিনিধিদের হাজির করতে পারি। ২) আপনি আমেরিকা ফিরে যাওয়ার আগে, চলুন, একসঙ্গে নৈশভোজ করি প্যারিসে!

দাম বাড়বে কীসের?

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের ওই ২০০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে ম্যাক্রেঁ বলেছেন, ওটা করা অত সহজ হবে না। সত্যিই, এর অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে। ওয়াইন বা শ্যাম্পেনের দাম হয়তো বাড়বে। তবে এখনই এ নিয়ে পরিষ্কার কিছু বোঝা যাচ্ছে না।

(Feed Source: zeenews.com)