জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নয়ের দশকের শেষ থেকে ২০০০ সালের শুরু। ভারতীয় ক্রিকেটের সেই গৌরবময় দিনগুলির কথা কে বা ভুলতে পারে? সে ছিল এক স্বর্ণালী যুগ। ব্যাটিং লাইনআপে নক্ষত্রদের ছড়াছড়ি! এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ।
অলরাউন্ড টিম ইন্ডিয়া
সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar), সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly), ভিভিএস লক্ষ্মণ (VVS Laxman), বীরেন্দ্র শেহওয়াগ (Virender Sehwag), যুবরাজ সিং (Virender Sehwag) ও মহম্মদ কাইফ (Mohammad Kaif)! বোলিং বিভাগও খুব একটা পিছিয়ে ছিল না। অজিত আগরকার (Ajit Agarkar), জাহির খান (Zaheer Khan), হরভজন সিং (Harbhajan Singh), অনিল কুম্বলে (Anil Kumble) এবং আশিস নেহরা (Ashish Nehra) নিজেদের প্রাণ উজাড় করে দিতেন মাঠে। তাঁরা অনেক স্মরণীয় জয়ের কারিগর। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালের কথাও কারোর পক্ষে ভোলা সম্ভব নয়। ভুলে গেলে চলবে না, ভারতীয় দল সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছিল কিন্তু প্রবল পরাক্রমশালী রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়ার কাছে সৌরভদের হারতে হয়েছিল।
এক ছবিতেই জিয়া নস্টাল
হ্যাঁ, এই দেশে বেশিরভাগ মানুষের কাছেই ক্রিকেট এক অমর আবেগ। কিন্তু সেই সময়ের ভারতীয় দল ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন পর্যায়ের। যখনই টিভিতে পুরনো ম্যাচের হাইলাইটস দেখানো হয়, তখনই মানুষ তা হাঁ করে দেখতে বসে যায়। কারণ সেই মধুর স্মৃতির কোনও এক্সপায়ারি ডেট নেই। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, সেই সময়ের ভারতীয় দলের কিছু তারকা খেলোয়াড়ের ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রয়াত ক্রিকেটার বিষাণ সিং বেদীর ছেলে অঙ্গদ বেদীর ইনস্টাগ্রামে একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে এক ফ্রেমে যুবরাজ, কাইফ, শেহওয়াগ, আগরকর এবং নেহরাকে পাওয়া গিয়েছে অভিনেতা অঙ্গদের সঙ্গে। ছিলেন জনপ্রিয় ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার গৌরব কাপুরও। এই ছবি দেখেই ভারতীয় সমর্থকরা নস্টালজিক হয়ে পড়েছেন। দেদারে ছবি শেয়ার হচ্ছে নেটপাড়ায়…
দ্য কপিল শর্মা শো
যুবরাজ এবং শেহওয়াগের কথা বলতে গেলে, এই জুটি ২০০৭ এবং ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী অভিযানের অংশ ছিলেন। যখন এমএস ধোনির নেতৃত্বে দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জিতেছিল। সম্প্রতি, কাইফ, শেহওয়াগ এবং যুবরাজ ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই তিনজন তাদের খেলার জীবনের কিছু হাসির গল্প ভাগ করে নিয়ে ভক্তদের নস্টালজিয়ার জগতে নিয়ে যান। কাইফ এবং যুবরাজের কথা বলতে গেলে, এই জুটি ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালে এক স্মরণীয় জুটি গড়ে তুলেছিলেন। ভারত সচিন, শেহওয়াগ, সৌরভ এবং দ্রাবিড়ের উইকেট হারালেও, এই জুটি দলকে খেলায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে এবং শেষ পর্যন্ত ৩০০-এর বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়লাভ করে। অভিষেক শর্মা এবং শুভমান গিলের কেরিয়ার গঠনে যুবরাজ অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। অন্যদিকে প্রাক্তন পেসার আগরকার বর্তমানে সিনিয়র পুরুষ দলের নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন। শেহওয়াগ এবং কাইফরা ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় রয়েছেন। আর নেহরা আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
(Feed Source: zeenews.com)
