Sunita Williams: ‘ভীষণভাবেই চাঁদে যেতে চাই, কিন্তু আমার স্বামী আমাকে মেরে ফেলবে…’ অবসরে চমকে দেওয়া দাবি ভারতের ‘মহাকাশের মেয়ে’ সুনীতার…

Sunita Williams: ‘ভীষণভাবেই চাঁদে যেতে চাই, কিন্তু আমার স্বামী আমাকে মেরে ফেলবে…’ অবসরে চমকে দেওয়া দাবি ভারতের ‘মহাকাশের মেয়ে’ সুনীতার…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৬০৮ দিন মহাকাশে কাটানোর রেকর্ড গড়ে অবসর ঘোষণা করেছেন মহাকাশ কন্যা সুনীতা উইলিয়ামস। শুধু মহাকাশে দিন কাটানো নয়, দৌড়েছেন ম্যারাথনও। মাত্র ১০ দিনের জন্য অভিযানে গিয়ে কাটিয়েছেন দীর্ঘ ৯ মাসেরও বেশি সময়। কিন্তু এবার ‘ঘরে ফেরার পালা’… মহাকাশ থেকে ছুটি নেওয়ার সময়। কিন্তু তারাদের সঙ্গে যার নিবিড় বন্ধুত্ব, মহাকাশের প্রতি যার অমোঘ টান, তিনি কি পারবেন স্থির হয়ে ঘরে থাকতে? অবসর জীবনে থিতু হবে? মহাশূন্যের নেশা যে তাঁকে টানে… অবসরেও সুনীতা উইলিয়ামসের কথায় যেন উঠে এল সেই টান-ই। চাঁদে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন তিনি।

বললেন, ‘চাঁদে যেতে পারলে ভালো লাগত, কিন্তু আমার স্বামী আমায় মেরে ফেলত…!’ বলেই একগাল হাসিতে ফেটে পড়লেন সুনীতা উইলিয়ামস। নাসার মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস বরাবরই তাঁর সাহস, শান্ত আত্মবিশ্বাস ও অটল বিশ্বাসের জন্য পরিচিত। তাঁর শেষ অভিযান ছিল মাত্র ১০ দিনের। কিন্তু মাত্র ১০ দিনের জন্য মহাকাশে গিয়ে তিনি আটকে পড়েছিলেন দীর্ঘ ৯ মাসেরও বেশি সময়। কিন্তু তখনও একবারের জন্যও তিনি নিজেকে ভুল সময়ে ভুল জায়গায় বলে মনে করেননি বলে জানান সুনীতা। বলেন, “আমরা একশো শতাংশ নিশ্চিত ছিলাম না যে সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে… কিন্তু এক সময়ে একটাই সমস্যার সমাধান করতে হয়… আমি মনে করি, আমি ভুল সময়ে ভুল জায়গায় ছিলাম না, বরং ঠিক সময়ে ঠিক জায়গাতেই ছিলাম।” এটাই ছিল স্টারলাইনারের প্রথম মানববাহী মিশন। ফলে তাতে যে কিছু সমস্যা হবে, সেটা স্বাভাবিক-ই ছিল। মত সুনীতার।

চাঁদে যেতে চান?

একইসঙ্গে নাসার আর্টেমিস-২ মিশন (NASA Artemis-II Mission) নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সুনীতা। আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নাসা। সেই প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত সুনীতা বলেন, “আমি এই মিশন নিয়ে খুবই রোমাঞ্চিত। এটা এক বিশাল উদ্যোগ… শেখার অনেক কিছু আছে। চাঁদের মাটিতে পা রাখার ক্ষেত্রে এটি এক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ধাপ।” তিনি কি চাঁদে যেতে চান? যার জবাবেই হেসে সুনীতার উত্তর, “আমি ভীষণভাবেই চাঁদে যেতে চাই। কিন্তু আমার স্বামী আমাকে মেরে ফেলবে!” সামোসা প্রিয় সুনীতাকে “সামোসা-খাওয়া মহাকাশচারী” বলেও ডাকা হয়। যা নিয়ে সুনীতা বলেন, “একদিন চাঁদে সামোসা খাওয়া দেখার অপেক্ষায় আছি।” আরও বলেন, “এখন বাড়ি ফেরার সময়… দায়িত্ব হস্তান্তরের সময়। পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশ অভিযাত্রীদের এবার এগিয়ে যাওয়ার সময়। এবার তারা ইতিহাসে স্থান করে নেবে।”

ভারতের জন্য বার্তা

গুজরাটি বংশোদ্ভূত সুনীতা উইলিয়ামসকে অনেকেই ভালোবেসে ‘ভারতের মহাকাশ কন্যা’ বলে ডেকে থাকেন। ভারত প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত সুনীতাও। বলেন, ‘মহাকাশ গবেষণা নিয়ে ভারতে যা হচ্ছে, তাতে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। খুব-ই খুশি।” ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ মিশন গগনযানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন তিনি।আরও বেশি নারী-পুরুষকে STEM ক্ষেত্রে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

(Feed Source: zeenews.com)